ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
জমি নিয়ে বিরোধের জের

দেওয়ানগঞ্জে বাগানের আমগাছ কাটার অভিযোগ

দেওয়ানগঞ্জ : তারা মিয়ার বাগানের আমগাছ কেটেছে প্রতিপক্ষরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের সরকার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আম বাগানের আম গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাগান মালিক খাজা মিয়া বাদী হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন। ২৫ এপ্রিল শুক্রবার সকালে আমগাছ কাটার ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী খাজা মিয়া বলেন, হাতীভাঙ্গা মৌজার বিআরএস ১৩৭৭ নম্বর খতিয়ানের বিআরএস ২৩৭৫ নম্বর দাগে ১৮ শতাংশ জমিতে আমবাগান করা হয়েছে। আমার বাব তারা মিয়া ওই দাগের ৩০ শতাংশ জমির প্রকৃত মালিক। ভোগদখলদার থাকাবস্থায় আমার বাবার নামে চূড়ান্তভাবে বিআরএস রেকর্ড রয়েছে। আমার বাবা মারা যাওয়ার পর আমি ও আমার ভাই-বোন এবং মা পরবর্তী ওয়ারিশ মালিক হয়ে নিজ নিজ নামে ৫৭৬২ নম্বর খারিজ খতিয়ান খুলে নিয়মিত খাজনা দিয়ে আসছি।

তিনি আরও বলেন, পতিপক্ষ রফিজল হক দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখলে বাধা দিয়ে আসছেন। এরপর এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের শরনাপন্ন হই। এরপর কয়েক দফায় সালিশ বৈঠকে গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আমাদেরকে ১৮ জমি শতাংশ জমি বুঝিলে দিলে উক্ত জমিতে উন্নতজাতের আমগাছের চারা লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিচর্যা করে আসছি। বর্তমান মৌসুমে ওই আমবাগানের প্রত্যেকটি গাছে আম ধরেছিল। কিন্তু ২৫ এপ্রিল ভোরে আমখাওয়া গ্রামের রফিজল হক তার লোকজন নিয়ে আমাদের আমবাগানে প্রবেশ করে দা, কুড়াল দিয়া ১৮ শতাংশ জমির আমবাগানের ৬৭টি আমগাছ গোড়ালিসহ কেটে ফেলে। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ করলে তারা দা, কুড়াল ইত্যাদি উচিয়ে আমাদেরকে হত্যার হুমকি দেয়। একই সাথে ওই জমি ভোগদখল করা থেকে বিরত রাখার জন্য ভয়ভীতি দেখায়। এতে আমরা আমাদের জমিতে যেতে ও চলাফেরা করতে জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগ করেছি।

এ ব্যাপারে রফিজল হক বিরোধপূর্ণ ওই জমি ক্রয়সূত্রে মালিক দাবি করে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি ১৯৯৯ সালে আওআর রেকর্ড মূলে ৪৫৫ খতিয়ানে ৩৭৬ দাগে আমজাদ হোসেন, মুন্তাজ মিয়া, ইমান আলী ও চন্দ্র ভান এই চারজনের কাছ থেকে ২৮ শতাংশ জমি ক্রয় করি। যার দলিল নাম্বার ২৩৯৮। এ জমি বিআরএস রেকর্ডে তারা মিয়ার নামে হওয়ায় আমি রেকর্ড সংশোধনের জন্য ২০১৯ সালে আদালতে মামলা করি। মামলা নম্বর ১৬৮। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আমগাছ কাটার যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, খাজা মিয়ার আমবাগানের আমগাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

জমি নিয়ে বিরোধের জের

দেওয়ানগঞ্জে বাগানের আমগাছ কাটার অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:৩৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের সরকার পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আম বাগানের আম গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাগান মালিক খাজা মিয়া বাদী হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন। ২৫ এপ্রিল শুক্রবার সকালে আমগাছ কাটার ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী খাজা মিয়া বলেন, হাতীভাঙ্গা মৌজার বিআরএস ১৩৭৭ নম্বর খতিয়ানের বিআরএস ২৩৭৫ নম্বর দাগে ১৮ শতাংশ জমিতে আমবাগান করা হয়েছে। আমার বাব তারা মিয়া ওই দাগের ৩০ শতাংশ জমির প্রকৃত মালিক। ভোগদখলদার থাকাবস্থায় আমার বাবার নামে চূড়ান্তভাবে বিআরএস রেকর্ড রয়েছে। আমার বাবা মারা যাওয়ার পর আমি ও আমার ভাই-বোন এবং মা পরবর্তী ওয়ারিশ মালিক হয়ে নিজ নিজ নামে ৫৭৬২ নম্বর খারিজ খতিয়ান খুলে নিয়মিত খাজনা দিয়ে আসছি।

তিনি আরও বলেন, পতিপক্ষ রফিজল হক দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখলে বাধা দিয়ে আসছেন। এরপর এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের শরনাপন্ন হই। এরপর কয়েক দফায় সালিশ বৈঠকে গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আমাদেরকে ১৮ জমি শতাংশ জমি বুঝিলে দিলে উক্ত জমিতে উন্নতজাতের আমগাছের চারা লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিচর্যা করে আসছি। বর্তমান মৌসুমে ওই আমবাগানের প্রত্যেকটি গাছে আম ধরেছিল। কিন্তু ২৫ এপ্রিল ভোরে আমখাওয়া গ্রামের রফিজল হক তার লোকজন নিয়ে আমাদের আমবাগানে প্রবেশ করে দা, কুড়াল দিয়া ১৮ শতাংশ জমির আমবাগানের ৬৭টি আমগাছ গোড়ালিসহ কেটে ফেলে। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ করলে তারা দা, কুড়াল ইত্যাদি উচিয়ে আমাদেরকে হত্যার হুমকি দেয়। একই সাথে ওই জমি ভোগদখল করা থেকে বিরত রাখার জন্য ভয়ভীতি দেখায়। এতে আমরা আমাদের জমিতে যেতে ও চলাফেরা করতে জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগ করেছি।

এ ব্যাপারে রফিজল হক বিরোধপূর্ণ ওই জমি ক্রয়সূত্রে মালিক দাবি করে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি ১৯৯৯ সালে আওআর রেকর্ড মূলে ৪৫৫ খতিয়ানে ৩৭৬ দাগে আমজাদ হোসেন, মুন্তাজ মিয়া, ইমান আলী ও চন্দ্র ভান এই চারজনের কাছ থেকে ২৮ শতাংশ জমি ক্রয় করি। যার দলিল নাম্বার ২৩৯৮। এ জমি বিআরএস রেকর্ডে তারা মিয়ার নামে হওয়ায় আমি রেকর্ড সংশোধনের জন্য ২০১৯ সালে আদালতে মামলা করি। মামলা নম্বর ১৬৮। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আমগাছ কাটার যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, খাজা মিয়ার আমবাগানের আমগাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।