ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে বাস দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে এক বাস দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। বাসটি একটি গভীর জলাধারের খাদে পড়ে গেলে এসব মানুষ হতাহত হয়। ১৮ নভেম্বর পুলিশ একথা জানিয়েছে। খবর এএফপি’র।

পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হার বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ। একেবারে দুর্বল সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে এসব সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা খাদিম হুসাইন এএফপি’কে বলেন, ১৭ নভেম্বর রাতে সিন্ধ প্রদেশে বাসটি একটি গভীর জলাধারে পড়ে যায়। এই গ্রীস্মে বন্যায় সড়কটি ভেসে যায় এবং সেখানে গভীর গর্তের সৃষ্ঠি হয়।

বাসের চালক সড়কটির বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের দিকনির্দেশনা খেয়াল না করায় ২৫ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়।

এ বছর পাকিস্তানে রেকর্ড পরিমাণে মৌসুমি বৃষ্টিহয়। এতে দেশটির এক তৃতীয়াংশ পানিতে তলিয়ে যায়। এরফলে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ নানা ক্ষেত্রে এর ক্ষত এখনো রয়ে গেছে।

বিশ্বাসযোগ্য বিভিন্ন গবেষণাপত্রে বলা হয়, এ ধরনের ব্যাপক বন্যার সাথে বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে বাস দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত

আপডেট সময় ০৬:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে এক বাস দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। বাসটি একটি গভীর জলাধারের খাদে পড়ে গেলে এসব মানুষ হতাহত হয়। ১৮ নভেম্বর পুলিশ একথা জানিয়েছে। খবর এএফপি’র।

পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হার বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ। একেবারে দুর্বল সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে এসব সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা খাদিম হুসাইন এএফপি’কে বলেন, ১৭ নভেম্বর রাতে সিন্ধ প্রদেশে বাসটি একটি গভীর জলাধারে পড়ে যায়। এই গ্রীস্মে বন্যায় সড়কটি ভেসে যায় এবং সেখানে গভীর গর্তের সৃষ্ঠি হয়।

বাসের চালক সড়কটির বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের দিকনির্দেশনা খেয়াল না করায় ২৫ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়।

এ বছর পাকিস্তানে রেকর্ড পরিমাণে মৌসুমি বৃষ্টিহয়। এতে দেশটির এক তৃতীয়াংশ পানিতে তলিয়ে যায়। এরফলে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ নানা ক্ষেত্রে এর ক্ষত এখনো রয়ে গেছে।

বিশ্বাসযোগ্য বিভিন্ন গবেষণাপত্রে বলা হয়, এ ধরনের ব্যাপক বন্যার সাথে বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রয়েছে।