ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

যমুনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে মন্নিয়া আশ্রয়ণ কেন্দ্র

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, ইসলামপুর প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় বেলগাছা ইউপিতে অবস্থিত ‘যমুনা নদী’ বেষ্টিত মন্নিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ কয়েকটি প্রকল্প। সেখানে আশ্রয়হীন অনেক পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছে সরকার। তবে সেই আশ্রয়ণ প্রকল্প বসতবাড়ি এবার বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে যমুনা নদী ভাঙ্গন কবলে পড়েছে। এরমধ্য মন্নিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রায় ২০-২৫টি বসতঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গনের কবলে চর মন্নিয়া আয়শ্রণ কেন্দ্রটির ৭৫টি পরিবারের প্রায় চারশতাধিক মানুষ আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে।

আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় দেখা যায়, নদী ভাঙনে অনেক বসতঘর বিলীন হয়ে গেছে। যেসব পরিবারের বসতঘর বিলীন হয়েছে, তাদের প্রকল্প এলাকার অন্য বসতঘরে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। ভাঙনের ভয়াবহতা অব্যাহত থাকায় ভাঙন আতঙ্কে পরিবারগুলো দিন কাটাচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে বেলগাছা ইউনিয়নের চর মন্নিয়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রটি ভূমিহীন পরিবারের জন্য নির্মিত হয়েছে। ৭৫টি পরিবারের প্রায় চারশতাধিক মানুষ সরকারিভাবে মাথাগুজার ঠাঁই হয়েছে। গেল বন্যায় আংশিক ভাঙলেও মাথা গুজার ঠাঁই নিয়ে দিনাপিপাত করছিল অসহায় পরিবারগুলো। এবারও বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় অসহায় হত দরিদ্র পরিবারের শেষ আশ্রয়স্থল চর মন্নিয়া আয়শ্রণ কেন্দ্রটি নদীর গর্ভে পুরোপুরি বিলীন হওয়ার পথে। ইতিমধ্যে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি ঘর নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে হয়ে গিয়েছে। এতে আশ্রিত মানুষগুলো পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

বেলগাছা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক জানান, আশ্রয়ণ কেন্দ্রটি পরিদর্শন করে দ্রুত অসহায় পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য প্রশাসনকে জানিয়েছি।

ইসলামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী এসএম জামাল আব্দুন নাছের বাবুল বলেন, ভাঙন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অন্য ঘরে আশ্রয় দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পে নদী ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

যমুনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে মন্নিয়া আশ্রয়ণ কেন্দ্র

আপডেট সময় ০৮:৪৮:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, ইসলামপুর প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় বেলগাছা ইউপিতে অবস্থিত ‘যমুনা নদী’ বেষ্টিত মন্নিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ কয়েকটি প্রকল্প। সেখানে আশ্রয়হীন অনেক পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছে সরকার। তবে সেই আশ্রয়ণ প্রকল্প বসতবাড়ি এবার বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে যমুনা নদী ভাঙ্গন কবলে পড়েছে। এরমধ্য মন্নিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রায় ২০-২৫টি বসতঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গনের কবলে চর মন্নিয়া আয়শ্রণ কেন্দ্রটির ৭৫টি পরিবারের প্রায় চারশতাধিক মানুষ আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে।

আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় দেখা যায়, নদী ভাঙনে অনেক বসতঘর বিলীন হয়ে গেছে। যেসব পরিবারের বসতঘর বিলীন হয়েছে, তাদের প্রকল্প এলাকার অন্য বসতঘরে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। ভাঙনের ভয়াবহতা অব্যাহত থাকায় ভাঙন আতঙ্কে পরিবারগুলো দিন কাটাচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে বেলগাছা ইউনিয়নের চর মন্নিয়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রটি ভূমিহীন পরিবারের জন্য নির্মিত হয়েছে। ৭৫টি পরিবারের প্রায় চারশতাধিক মানুষ সরকারিভাবে মাথাগুজার ঠাঁই হয়েছে। গেল বন্যায় আংশিক ভাঙলেও মাথা গুজার ঠাঁই নিয়ে দিনাপিপাত করছিল অসহায় পরিবারগুলো। এবারও বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় অসহায় হত দরিদ্র পরিবারের শেষ আশ্রয়স্থল চর মন্নিয়া আয়শ্রণ কেন্দ্রটি নদীর গর্ভে পুরোপুরি বিলীন হওয়ার পথে। ইতিমধ্যে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি ঘর নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে হয়ে গিয়েছে। এতে আশ্রিত মানুষগুলো পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

বেলগাছা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক জানান, আশ্রয়ণ কেন্দ্রটি পরিদর্শন করে দ্রুত অসহায় পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য প্রশাসনকে জানিয়েছি।

ইসলামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী এসএম জামাল আব্দুন নাছের বাবুল বলেন, ভাঙন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অন্য ঘরে আশ্রয় দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পে নদী ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।