দেওয়ানগঞ্জে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বিষয়ক উঠান বৈঠক

দেওয়ানগঞ্জে বাংলাদেশ ফ্লাড রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বিষয়ক উঠান বৈঠক। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম
দেওয়ানগঞ্জে বাংলাদেশ ফ্লাড রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বিষয়ক উঠান বৈঠক। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
বন্যায় অধিক ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বাস্তবায়নাধীন জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় উন্নয়ন সংঘের ফ্লাড রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর নিয়ম এবং প্রাত্যহিক জীবনে স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ক এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুখ্য আলোচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উন্নয়ন সংঘের মাঠ সহায়ক (এফএফ) মো. শাহজাহান মিয়া।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের বন্যা দুর্গত গ্রাম পশ্চিম লংকার আদর্শ গ্রামে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গ্রামের দুগ্ধদানকারি মাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকসূত্রে জানা যায়, এলাকার গর্ভবতি, প্রসূতি মা এবং নবজাতক ও ৫ বছরের নীচে শিশুরা চরমভাবে পুষ্টিহীনতার শিকার। প্রাথমিক স্বাস্থ্য জ্ঞান আছে এ ধরনের মা এর সংখ্যা খুবই কম। এ ছাড়া মায়ের বুকের দুধের গুণ, শিশুকে অন্যান্য খাবার, শিশুর যত্ন, মায়ের যত্ন ইত্যাদি অনিবার্য স্বাস্থ্য অভ্যাস এদের নেই বললেই চলে। এ ছাড়া বন্যার সময় শিশু মায়ের প্রতি কি কি যত্ন নিতে হয়, কীভাবে নিজে এবং পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা করতে হয় এসব বিষয়ে এর আগে তেমন কেউ ভালোভাবে বলতে আসে নাই বলে জানান উঠান বৈঠকে আসা মায়েরা।

দেওয়ানগঞ্জে বাংলাদেশ ফ্লাড রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বিষয়ক উঠান বৈঠক। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম
দেওয়ানগঞ্জে বাংলাদেশ ফ্লাড রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বিষয়ক উঠান বৈঠক। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

এডিএইচ জার্মানীর অর্থ সহায়তায় এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সাথে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে ফ্লাড রেসপন্স প্রকল্পটি অন্যান্য সহায়তার পাশাপাশি এই জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেয়ায় এলাকাবাসি সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

সূত্র জানায়, ফ্লাড রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় গত বন্যায় অধিক ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে কৃষি, পুষ্টি সহায়তা, ছাগল, হাঁস, মুরগী, ঢেউটিন, গৃহস্থালী সামগ্রী বিতরণ এবং রাস্তাঘাট সংস্কার, সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সরাসরি ২ হাজার পরিবার এবং পরোক্ষভাবে ১০ হাজার পরিবার এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। প্রকল্পটি জামালপুর জেলার ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চারটি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন হবে।