ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু মাদারগঞ্জে কাজে আসে না ৮০ লাখ টাকার ডাম্পিং স্টেশন, মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড় দেওয়ানগঞ্জে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ডিজেল মজুতের দায়ে যুবকের ৭ দিনের জেল মাদারগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু, বাবার দাবি হত্যা  বকশীগঞ্জে কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাস বাদ দিয়ে পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহের অভিযোগ!   সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা

মাদারগঞ্জে কাজে আসে না ৮০ লাখ টাকার ডাম্পিং স্টেশন, মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়

মাদারগঞ্জ : ডাম্পিং স্টেশনের ময়লা ছড়িয়ে পড়ছে মহসড়কের দিকে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

৮০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয়ে জামালপুরের মাদারগঞ্জ পৌরসভায় একটি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল শহরের প্রতিদিনের বর্জ্য পরিবেশের ক্ষতি না করে নিরাপদ স্থানে ফেলা। তবে পরিবেশসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলেও বর্তমানে এটি কার্যত অকার্যকর। স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত নির্মাণ ও অনিয়মের কারণে সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৮০ লাখ ৬৫ হাজার ২৪৭ টাকা ব্যয়ে মাদারগঞ্জ পৌরসভার চর শুভগাছা এলাকায় ডাম্পিং স্টেশনটি নির্মাণ করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমের ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা গোলাম মওলা সোহেলের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাবণী কনস্ট্রাকশন। অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের কাজ ও নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়। ফলে হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।

পরে ২০২৩ সালে ডাম্পিং স্টেশনটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তৎকালীন মেয়র ছিলেন মির্জা আজমের আরেক ছোট ভাই মির্জা গোলাম কিবরিয়া কবির। তবে হস্তান্তরের বিষয়ে পৌরসভার অধিকাংশ কর্মকর্তাই অবগত ছিলেন না বলে জানা গেছে। ফলে হন্তান্তরের পর থেকে কেন্দ্রটি আর চালু হয়নি। বর্তমানে স্থাপনাটি অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। স্থাপনাটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে, চুরি হয়ে গেছে পাইপসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। সন্ধ্যার পর সেখানে মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়ে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

মাদারগঞ্জ : কাজে আসে না ৮০ লাখ টাকার ডাম্পিং স্টেশন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এদিকে ডাম্পিং স্টেশন অচল থাকায় পৌরসভার দৈনিক বর্জ্য এখন জামালপুর-মাদারগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। এতে সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যাত্রী ও পথচারীরা দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন। স্থানীয়দের দাবি, সড়কের পাশে উন্মুক্তভাবে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে এবং আশপাশের কৃষিজমিও ক্ষতির মুখে পড়ছে।

পৌরসভার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, এত টাকা খরচ করে ডাম্পিং স্টেশন বানানো হয়েছে, কিন্তু কোনো কাজে লাগে না। শহরের ময়লা এখন মহাসড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তার অভিযোগ, প্রকল্প নেয়ার আগে সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকি ছিল না।

চর শুভগাছা এলাকার সাহিদুর রহমান বলেন, অচল ডাম্পিং স্টেশনটি মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সেখানে তাদের আনাগোনা বাড়ে। দিনের বেলায় ওই স্থানে স্থানীয়রা ভুট্টা ও ধান শুকানোর কাজ করেন। তিনি দ্রুত ডাম্পিং স্টেশনটি চালুর দাবি জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মকর্তা বলেন, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে অনিয়ম হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না। ফলে হস্তান্তরের পর এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। কিভাবে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করা হবে, সে বিষয়ে কোন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি বলেন জানান তিনি।

উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মোখলেস বলেন, বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে হরিলুট করা হয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যার কাজ ছিল খুবই নিম্নমানের। মাদারগঞ্জ পৌরসভায় অপরিকল্পিতভাবে একটি ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে, যার কোন সুফল পাচ্ছে না জনগণ। প্রায় কোটি টাকার ডাম্পিং স্টেশন থাকা সত্তে¡ও জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে ময়লা ফেলা হচ্ছে। এতে পৌরবাসীকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২৩ সালের আগস্ট কিংবা সেপ্টেম্বরে প্রকল্পটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে সে সময় তিনি এ উপজেলায় কর্মরত ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, ডাম্পিং স্টেশনটি দীর্ঘদিন চালু না হওয়ার পেছনে প্রশিক্ষণের বিষয়টি কেবল অজুহাত মাত্র।

মাদারগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী বলেন, আমি গত ২ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করি। এরপর নির্বাচন ও ঈদুল ফিতরের ব্যস্ততা শেষ করে এখন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে গুরুত্ব দিচ্ছি। ডাম্পিং স্টেশনটি আগে কার্যকর ছিল না, কারণ এ-সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র পাওয়া যায়নি। তবে সম্প্রতি নিশ্চিত হয়েছি যে এটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী সপ্তাহে ডাম্পিং স্টেশনটি পুরোপুরি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনে সব ড্রেন পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, শিগগিরই মাদারগঞ্জ পৌরসভাকে একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

মাদারগঞ্জে কাজে আসে না ৮০ লাখ টাকার ডাম্পিং স্টেশন, মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

৮০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয়ে জামালপুরের মাদারগঞ্জ পৌরসভায় একটি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল শহরের প্রতিদিনের বর্জ্য পরিবেশের ক্ষতি না করে নিরাপদ স্থানে ফেলা। তবে পরিবেশসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলেও বর্তমানে এটি কার্যত অকার্যকর। স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত নির্মাণ ও অনিয়মের কারণে সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৮০ লাখ ৬৫ হাজার ২৪৭ টাকা ব্যয়ে মাদারগঞ্জ পৌরসভার চর শুভগাছা এলাকায় ডাম্পিং স্টেশনটি নির্মাণ করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমের ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা গোলাম মওলা সোহেলের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাবণী কনস্ট্রাকশন। অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের কাজ ও নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়। ফলে হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।

পরে ২০২৩ সালে ডাম্পিং স্টেশনটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তৎকালীন মেয়র ছিলেন মির্জা আজমের আরেক ছোট ভাই মির্জা গোলাম কিবরিয়া কবির। তবে হস্তান্তরের বিষয়ে পৌরসভার অধিকাংশ কর্মকর্তাই অবগত ছিলেন না বলে জানা গেছে। ফলে হন্তান্তরের পর থেকে কেন্দ্রটি আর চালু হয়নি। বর্তমানে স্থাপনাটি অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। স্থাপনাটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে, চুরি হয়ে গেছে পাইপসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। সন্ধ্যার পর সেখানে মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়ে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

মাদারগঞ্জ : কাজে আসে না ৮০ লাখ টাকার ডাম্পিং স্টেশন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এদিকে ডাম্পিং স্টেশন অচল থাকায় পৌরসভার দৈনিক বর্জ্য এখন জামালপুর-মাদারগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। এতে সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যাত্রী ও পথচারীরা দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন। স্থানীয়দের দাবি, সড়কের পাশে উন্মুক্তভাবে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে এবং আশপাশের কৃষিজমিও ক্ষতির মুখে পড়ছে।

পৌরসভার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, এত টাকা খরচ করে ডাম্পিং স্টেশন বানানো হয়েছে, কিন্তু কোনো কাজে লাগে না। শহরের ময়লা এখন মহাসড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তার অভিযোগ, প্রকল্প নেয়ার আগে সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকি ছিল না।

চর শুভগাছা এলাকার সাহিদুর রহমান বলেন, অচল ডাম্পিং স্টেশনটি মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সেখানে তাদের আনাগোনা বাড়ে। দিনের বেলায় ওই স্থানে স্থানীয়রা ভুট্টা ও ধান শুকানোর কাজ করেন। তিনি দ্রুত ডাম্পিং স্টেশনটি চালুর দাবি জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মকর্তা বলেন, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে অনিয়ম হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না। ফলে হস্তান্তরের পর এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। কিভাবে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করা হবে, সে বিষয়ে কোন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি বলেন জানান তিনি।

উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মোখলেস বলেন, বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে হরিলুট করা হয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যার কাজ ছিল খুবই নিম্নমানের। মাদারগঞ্জ পৌরসভায় অপরিকল্পিতভাবে একটি ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে, যার কোন সুফল পাচ্ছে না জনগণ। প্রায় কোটি টাকার ডাম্পিং স্টেশন থাকা সত্তে¡ও জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে ময়লা ফেলা হচ্ছে। এতে পৌরবাসীকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২৩ সালের আগস্ট কিংবা সেপ্টেম্বরে প্রকল্পটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে সে সময় তিনি এ উপজেলায় কর্মরত ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, ডাম্পিং স্টেশনটি দীর্ঘদিন চালু না হওয়ার পেছনে প্রশিক্ষণের বিষয়টি কেবল অজুহাত মাত্র।

মাদারগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী বলেন, আমি গত ২ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করি। এরপর নির্বাচন ও ঈদুল ফিতরের ব্যস্ততা শেষ করে এখন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে গুরুত্ব দিচ্ছি। ডাম্পিং স্টেশনটি আগে কার্যকর ছিল না, কারণ এ-সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র পাওয়া যায়নি। তবে সম্প্রতি নিশ্চিত হয়েছি যে এটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী সপ্তাহে ডাম্পিং স্টেশনটি পুরোপুরি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনে সব ড্রেন পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, শিগগিরই মাদারগঞ্জ পৌরসভাকে একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।