ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা মাদারগঞ্জে যমুনার বালুর চরে ফিরেছে সবুজ প্রাণ মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন

পৌরকর বকেয়ার কারণে সরিষাবাড়ীতে ক্যাবল নেটওয়ার্ক বন্ধ

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা বকেয়া দাবি করে উপজেলার টিভি-ক্যাবল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পৌরসভার মেয়র রুকুনুজ্জামান রোকন পৌরসভার শিমলা বাসস্ট্যান্ড ক্যাবল নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণকক্ষ তালা দিয়ে দেন বলে ক্যাবল মালিকরা জানান।

এ সময় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মনিটরসহ সব ধরনের যন্ত্রপাতি জব্দ করে পৌরসভায় নিয়ে যাওয়া হয়। এতে পৌরসভাসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে প্রায় ৫ হাজার ক্যাবল নেটওয়ার্ক গ্রাহকরা সেবা বঞ্চিত হয়ে পড়েছেন।

বাংলাদেশ ক্যাবল নেটওয়ার্ক মালিক অ্যাসোসিয়েশনের জামালপুর জেলার সমন্বয়ক আব্দুল হক তরফদার অভিযোগ করেন, সরিষাবাড়ী ক্যাবল মালিকরা সকলেই বিটিভি লাইসেন্স, পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্সসহ নিয়মিত পৌর ট্যাক্স ও ভ্যাট পরিশোধ করে ব্যবসা পরিচালনা করছি। পৌরসভার মেয়র রুকনুজ্জামান রোকন উপজেলার সব ক্যাবল গ্রাহকদের কাছ থেকে জনপ্রতি শতকরা ১০ টাকা করে অতিরিক্ত কর দাবি করেছেন। সে টাকা না দেওয়ায় মেয়র ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টার দিকে শিমলা বাসস্ট্যান্ড শাহারিয়া মার্কেটের নিয়ন্ত্রণকক্ষে এসে তালা ঝুলিয়ে দেন। নিয়ন্ত্রণকক্ষের মনিটরসহ সব ধরনের মালামাল মেয়র জব্দ করে তাঁর কার্যালয়ে নিয়ে যান বলে নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্মচারী একরামুল আজাদ শ্রাবণ জানান।

ভাটারা ইউনিয়নের ক্যাবল মালিক কাঞ্চন মিয়া জানান, উপজেলার ১০ জন ক্যাবল মালিক রয়েছেন। পৌরসভার মধ্যে গ্রাহকদের কাছ থেকে কর দাবির কারণে নিয়ন্ত্রণকক্ষ বন্ধ করে দেওয়ায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে পুরো উপজেলার।

এ ব্যাপারে মেয়র রুকুনুজ্জামান রোকন বাংলারচিঠি ডটকমকে বলেন, সরকারি গেজেট অনুযায়ী ক্যাবল গ্রাহকদের কাছ থেকে জনপ্রতি শতকরা ১০ টাকা হারে  পৌরকর দেওয়ার কথা। তা না করায় পাঁচ বছরের ক্যাবল মালিকদের কাছে পৌরসভায় ১৫ হাজার গ্রাহক বাবদ ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা বকেয়া পড়েছে। এ ব্যাপারে ৪টি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। টাকা পরিশোধ না করায় ক্যাবল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিকল্পভাবে ক্যাবল সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

পৌরকর বকেয়ার কারণে সরিষাবাড়ীতে ক্যাবল নেটওয়ার্ক বন্ধ

আপডেট সময় ০৯:১৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা বকেয়া দাবি করে উপজেলার টিভি-ক্যাবল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পৌরসভার মেয়র রুকুনুজ্জামান রোকন পৌরসভার শিমলা বাসস্ট্যান্ড ক্যাবল নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণকক্ষ তালা দিয়ে দেন বলে ক্যাবল মালিকরা জানান।

এ সময় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মনিটরসহ সব ধরনের যন্ত্রপাতি জব্দ করে পৌরসভায় নিয়ে যাওয়া হয়। এতে পৌরসভাসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে প্রায় ৫ হাজার ক্যাবল নেটওয়ার্ক গ্রাহকরা সেবা বঞ্চিত হয়ে পড়েছেন।

বাংলাদেশ ক্যাবল নেটওয়ার্ক মালিক অ্যাসোসিয়েশনের জামালপুর জেলার সমন্বয়ক আব্দুল হক তরফদার অভিযোগ করেন, সরিষাবাড়ী ক্যাবল মালিকরা সকলেই বিটিভি লাইসেন্স, পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্সসহ নিয়মিত পৌর ট্যাক্স ও ভ্যাট পরিশোধ করে ব্যবসা পরিচালনা করছি। পৌরসভার মেয়র রুকনুজ্জামান রোকন উপজেলার সব ক্যাবল গ্রাহকদের কাছ থেকে জনপ্রতি শতকরা ১০ টাকা করে অতিরিক্ত কর দাবি করেছেন। সে টাকা না দেওয়ায় মেয়র ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টার দিকে শিমলা বাসস্ট্যান্ড শাহারিয়া মার্কেটের নিয়ন্ত্রণকক্ষে এসে তালা ঝুলিয়ে দেন। নিয়ন্ত্রণকক্ষের মনিটরসহ সব ধরনের মালামাল মেয়র জব্দ করে তাঁর কার্যালয়ে নিয়ে যান বলে নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্মচারী একরামুল আজাদ শ্রাবণ জানান।

ভাটারা ইউনিয়নের ক্যাবল মালিক কাঞ্চন মিয়া জানান, উপজেলার ১০ জন ক্যাবল মালিক রয়েছেন। পৌরসভার মধ্যে গ্রাহকদের কাছ থেকে কর দাবির কারণে নিয়ন্ত্রণকক্ষ বন্ধ করে দেওয়ায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে পুরো উপজেলার।

এ ব্যাপারে মেয়র রুকুনুজ্জামান রোকন বাংলারচিঠি ডটকমকে বলেন, সরকারি গেজেট অনুযায়ী ক্যাবল গ্রাহকদের কাছ থেকে জনপ্রতি শতকরা ১০ টাকা হারে  পৌরকর দেওয়ার কথা। তা না করায় পাঁচ বছরের ক্যাবল মালিকদের কাছে পৌরসভায় ১৫ হাজার গ্রাহক বাবদ ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা বকেয়া পড়েছে। এ ব্যাপারে ৪টি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। টাকা পরিশোধ না করায় ক্যাবল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিকল্পভাবে ক্যাবল সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।