ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাটায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল! জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির ১০ বছর করে আটকাদেশ

জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত

জামালপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত। ১২ আগস্ট, বুধবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচর ইউনিয়নের চর গজারিয়া এলাকার মো. নজরুল ইসলামের ছেলে সৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান ও একই এলাকার আক্তারুজ্জামানের ছেলে আসাদ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর বিকালে ভুক্তভোগী দশম শ্রেণির ছাত্রী স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফিরছিল। পথে তাকে জোর করে সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় আসামিরা। এর আগে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখ্যান হবার পর ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছিল ডালিম হাসান। মেয়ের বয়স কম থাকায় বিয়ের প্রস্তাবও নাকচ করে দেন ভুক্তভোগীর পরিবার। পরে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে ডালিম হাসান। অপহরণ ও ধর্ষণে সহযোগিতা করে তার বন্ধু আসাদ। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে অপহরণের পরদিন জামালপুর সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে জানান, ভুক্তভোগী স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে সৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান। তাকে এ কাজে সহযোগিতা করে আসামি আসাদ। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় কিশোর আসামি সৈকত ইসলাম ডালিম হাসানকে নারী ও শিশু আইনের ১০/৭ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ এবং একই আইনে ধর্ষণের দায়ে ৯ এর ১ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়। অপর আসামি আসাদ যেহেতু এই ধর্ষণের কাজে এবং অপহরণের কাজে সহযোগিতা করেছে তাকে ওই একই আইনে ৭ এর ৩০ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়।

এই মামলায় আট জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষ্য ও সমস্ত তথ্যউপাত্ত পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন আদালত।

দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির ১০ বছর করে আটকাদেশ

আপডেট সময় ১১:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত। ১২ আগস্ট, বুধবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচর ইউনিয়নের চর গজারিয়া এলাকার মো. নজরুল ইসলামের ছেলে সৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান ও একই এলাকার আক্তারুজ্জামানের ছেলে আসাদ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর বিকালে ভুক্তভোগী দশম শ্রেণির ছাত্রী স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফিরছিল। পথে তাকে জোর করে সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় আসামিরা। এর আগে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখ্যান হবার পর ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছিল ডালিম হাসান। মেয়ের বয়স কম থাকায় বিয়ের প্রস্তাবও নাকচ করে দেন ভুক্তভোগীর পরিবার। পরে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে ডালিম হাসান। অপহরণ ও ধর্ষণে সহযোগিতা করে তার বন্ধু আসাদ। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে অপহরণের পরদিন জামালপুর সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে জানান, ভুক্তভোগী স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে সৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান। তাকে এ কাজে সহযোগিতা করে আসামি আসাদ। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় কিশোর আসামি সৈকত ইসলাম ডালিম হাসানকে নারী ও শিশু আইনের ১০/৭ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ এবং একই আইনে ধর্ষণের দায়ে ৯ এর ১ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়। অপর আসামি আসাদ যেহেতু এই ধর্ষণের কাজে এবং অপহরণের কাজে সহযোগিতা করেছে তাকে ওই একই আইনে ৭ এর ৩০ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়।

এই মামলায় আট জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষ্য ও সমস্ত তথ্যউপাত্ত পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন আদালত।