শেরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় ২৩১ জনের নামীয় এবং আরো ৩০০-৪০০ জন অজ্ঞাত নামীয় আসামি করে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী নিহত জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিমের স্ত্রী মোছা. মার্জিয়া।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেলকে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জামায়াত ইসলামীর শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান।
৩০ জানুয়ারি, শুক্রবার মধ্যরাতে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৮ জানুয়ারি, বুধবার বিকালে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রথমে বাগ বিতণ্ডা পরে তা দফায় দফায় সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে সন্ধ্যার দিকে বিএনপি কর্মীদের হামলায় ঝিনাইগাতী বাজারে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে শেরপুর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত সাড়ে ৯টার টার দিকে মারা যান তিনি।
এদিকে শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান মাওলানা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডে সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মুগনিউর রহমান মনি : নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম 



















