শীর্ষক দ্বিতীয় পর্যায়ের উৎসব ৩১ জানুয়ারি, শনিবার দিনব্যাপী ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল পাঠাভ্যাস ও মানবিক চেতনা বিকাশে এ আয়োজন বিশেষ গুরুত্ব পায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইউনেস্কোর বিশেষ প্রতিনিধি ড. সুজন ভাইজ। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক, বিশিষ্ট কবি ও চিন্তাবিদ সারোয়ার আলী, ভাষা ও স্বাধীনতা সংগ্রামী মতি মিয়া ফাউন্ডেশন পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান স্বাধীন, বিভিন্ন পাঠাগারের সংগঠক, পাঠক এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে ‘সুলতানার স্বপ্ন’ গ্রন্থের তাৎপর্য, বেগম রোকেয়ার চিন্তা ও নারীর মুক্তি ভাবনার উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সুজন ভাইজ বলেন, ‘সুলতানার স্বপ্ন’ শুধু একটি সাহিত্যকর্ম নয়। বরং নারী অধিকার, বিজ্ঞানমনস্কতা ও সমতার এক সময়োপযোগী দলিল।

বিভিন্ন পাঠাগারের অংশগ্রহণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক পর্বে নাচ, গান ও আবৃত্তিতে উৎসবমুখর হয়ে উঠে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় বেগম রোকেয়ার ভাবনা নতুন প্রজন্মের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন পাঠাগারের পাঠক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও বই উপহার দেওয়া হয়।
আয়োজকেরা জানান, পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা ও সৃজনশীল পাঠচর্চা ছড়িয়ে দিতেই এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, বেগম রোকেয়ার রচিত ঐতিহাসিক গ্রন্থ ‘সুলতানার স্বপ্ন’ ইউনেস্কোর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। যা বাংলা সাহিত্য ও নারীমুক্তি আন্দোলনের জন্য এক গৌরবময় অর্জন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলারচিঠিডটকম 



















