ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উৎসবমুখর পরিবেশে দ্বিধাহীন চিত্তে ভোট দিন : দেশবাসীর প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান নির্বাচনে মাঠে থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য : ইসি সানাউল্লাহ নির্বাচিত হলে বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে : এমপি প্রার্থী ওয়ারেছ আলী মামুন দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ের লক্ষ্যে জামালপুরে নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত জামালপুরে যৌথবাহিনীর মহড়া নানান প্রতশ্রুতিতে চর আর বীরের ভোটারদের শেষ মুহূর্তে মন জয়ে মরিয়া প্রার্থীরা শেরপুর-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা ও স্বতন্ত্র, শেরপুর-২ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই যমুনা সারকারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু নেতা হওয়ার জন্য আসি নাই, এসেছি সেবক হতে : জামায়াত নেতা কিবরিয়া বিএনপির সমপর্যায়ে কোন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নেই : ওয়ারেছ আলী মামুন

সুইডেনে কোরআন পোড়ানো সেই যুবককে গুলি করে হত্যা

ইরাকি শরণার্থী সালওয়ান মোমিকা। ছবি: সংগৃহীত

২০২৩ সালে পবিত্র কোরআনের বেশ কয়েকটি কপি পুড়িয়ে মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভের সৃষ্টি করা সালওয়ান মোমিকাকে সুইডেনে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, স্থানীয় সময় ২৯ জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় স্টকহোমের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ৩৮ বছর বয়সী ইরাকি শরণার্থী সালওয়ান মোমিকাকে হত্যা করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সুইডিশ পুলিশ তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পরই পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। একজন প্রসিকিউটর তাদের আটকের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আটককৃতদের মধ্যে হামলাকারী আছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি তারা।

বিভিন্ন ইউরোপীয় গণমাধ্যমের জানা গেছে, কোরআন পোড়ানোর বিচারের পর আদালতের রায় পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে তাকে হত্যা করা হলো।

স্টকহোমের একটি আদালত ৩০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ‘জাতিগত বা জাতীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলনের অপরাধে’ ফৌজদারি বিচারে মোমিকা এবং অন্য এক ব্যক্তিকে সাজা দেওয়ার কথা ছিল। তবে রায়ের ঘোষণা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুইডিশ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় মোমিকা টিকটকে লাইভ স্ট্রিমিং করছিলেন। রয়টার্সের হাতে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ একটি ফোন তুলে নিয়ে একটি লাইভস্ট্রিম শেষ করছে।

২০২৩ সালে ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে প্রথম দুইবার কোরআন পোড়ান মোমিকা। প্রথম দফাটি হয় স্টকহোমের একটি মসজিদের বাইরে। দ্বিতীয়টি ইরাকি দূতাবাসের বাইরে।

ওই বছরই মাইগ্রেশন এজেন্সি রেসিডেন্সি আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার জন্য মোমিকাকে দেশে ফেরত পাঠাতে চেয়েছিল সুইডেন। কিন্তু ইরাকে ‘নির্যাতন ও অমানবিক আচরণের ঝুঁকি’ থাকায় এটি করতে পারেনি।

বাকস্বাধীনতা আইনের অজুহাতে সুইডিশ পুলিশ কর্তৃক অনুমোদিত এই ধর্ম অবমাননাকর কাজটি মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভ ও নিন্দার ঢেউ ছড়িয়ে দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর পরিবেশে দ্বিধাহীন চিত্তে ভোট দিন : দেশবাসীর প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

সুইডেনে কোরআন পোড়ানো সেই যুবককে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ১০:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

২০২৩ সালে পবিত্র কোরআনের বেশ কয়েকটি কপি পুড়িয়ে মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভের সৃষ্টি করা সালওয়ান মোমিকাকে সুইডেনে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, স্থানীয় সময় ২৯ জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় স্টকহোমের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ৩৮ বছর বয়সী ইরাকি শরণার্থী সালওয়ান মোমিকাকে হত্যা করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সুইডিশ পুলিশ তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পরই পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। একজন প্রসিকিউটর তাদের আটকের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আটককৃতদের মধ্যে হামলাকারী আছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি তারা।

বিভিন্ন ইউরোপীয় গণমাধ্যমের জানা গেছে, কোরআন পোড়ানোর বিচারের পর আদালতের রায় পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে তাকে হত্যা করা হলো।

স্টকহোমের একটি আদালত ৩০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ‘জাতিগত বা জাতীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলনের অপরাধে’ ফৌজদারি বিচারে মোমিকা এবং অন্য এক ব্যক্তিকে সাজা দেওয়ার কথা ছিল। তবে রায়ের ঘোষণা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুইডিশ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় মোমিকা টিকটকে লাইভ স্ট্রিমিং করছিলেন। রয়টার্সের হাতে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ একটি ফোন তুলে নিয়ে একটি লাইভস্ট্রিম শেষ করছে।

২০২৩ সালে ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে প্রথম দুইবার কোরআন পোড়ান মোমিকা। প্রথম দফাটি হয় স্টকহোমের একটি মসজিদের বাইরে। দ্বিতীয়টি ইরাকি দূতাবাসের বাইরে।

ওই বছরই মাইগ্রেশন এজেন্সি রেসিডেন্সি আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার জন্য মোমিকাকে দেশে ফেরত পাঠাতে চেয়েছিল সুইডেন। কিন্তু ইরাকে ‘নির্যাতন ও অমানবিক আচরণের ঝুঁকি’ থাকায় এটি করতে পারেনি।

বাকস্বাধীনতা আইনের অজুহাতে সুইডিশ পুলিশ কর্তৃক অনুমোদিত এই ধর্ম অবমাননাকর কাজটি মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভ ও নিন্দার ঢেউ ছড়িয়ে দেয়।