ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মসজিদ-মাদরাসায় বিশেষ দোয়া শেরপুরে দু’দিনব্যাপী পর্যটন উদ্যোক্তা তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু রক্তের বন্ধন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন বেলটিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত নিহত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র চলছে : এম. রশীদুজ্জামান মিল্লাত জামালপুরে সাংবাদিক ও দলিল লেখকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন জেলা মানবাধিকার রক্ষাকারী নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন : সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম, আরজু সম্পাদক সাংবাদিকদের জানিয়ে শেরপুর সদর আসনে মাঠে নামলেন ইলিয়াস উদ্দিন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সরিষাবাড়ীতে নারীদের দোয়া মাহফিল

জামালপুরে মাজার ভাঙার ঘোষণার প্রতিবাদে স্মারকলিপি পেশ

মাজার ও খানকাহ শরিফ ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ২২ সেপ্টেম্বর জামালপুর জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেন। ছবি : আসমাউল আসিফ

জামালপুরে এক ধর্মসভায় প্রকাশ্যে মাজার ভাঙার ঘোষণা দেওয়ার প্রতিবাদে স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে জামালপুর মাজার ও খানকাহ শরিফ ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সেনাক্যাম্পসহ বিভিন্ন দপ্তরে এই স্মারকলিপি পেশ করেন।

এ সময় জামালপুর মাজার ও খানকাহ শরিফ ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. মজিবর রহমান, শামীম আলম, আতিউর রহমান চিশতী, বাবুল ইসলাম কলম চিশতী, নাহিদ হোসেন, সৈয়দুর রহমান, খাইরুল ইসলাম, রুস্তম দেওয়ানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপি সূত্রে জানা গেছে, ১৬ সেপ্টেম্বর জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের নারিকেলী মোড়ে তৌহিদি জনতা সিরাতুন্নবী (সা.) নামের এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ওই অনুষ্ঠানে জামালপুর পৌরশহরের ডাকপাড়া জামিয়া ইনআমিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষক আবুল কাশেম অলি আউলিয়াদের সম্পর্কে প্রকাশ্যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও উস্কানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে তার সহযোগীদেরকে জামালপুর জেলার সকল দরবার, মাজার ও খানকাহ শরিফ ভেঙে ফেলার ঘোষণা দেন। জামালপুর জেলায় প্রায় ১১৩টি মাজার ও খানকাহ শরিফ রয়েছে। এসব মাজার ও খানকায় প্রায় ১৫ লাখ ভক্ত ও আশেকান-জাকেরান রয়েছেন। ডাকপাড়া জামিয়া ইনআমিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষক আবুল কাশেমের উস্কানিমূলক এই বক্তব্য আশেকান-জাকেরানের কলিজায় লেগেছে। যে কোন সময় তার উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি হতে পারে। হযরত শাহ জামাল (রহ:) এর নাম অনুসারে জামালপুর জেলার নামকরণ করা হয়েছে। তাই মাজার প্রেমিক, অলি প্রেমিক ভক্তবৃন্দরা আবুল কাশেমের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তার এমন অসৌজন্যমূলক বক্তব্য শান্ত জামালপুরকে অশান্ত করে তুলেছে।

স্মারকলিপি পেশ শেষে জামালপুর মাজার ও খানকাহ শরীফ ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. মজিবর রহমান জানান, মাজার ভাঙার ঘোষণা দেওয়ার ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আমরা এই উস্কানিমূলক ঘোষণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যদি কোন মাজারে হামলার ঘটনা ঘটে তবে জেলার বিভিন্ন মাজারের ভক্তরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে। মাদরাসা শিক্ষক আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জেলার সকল মাজার ও খানকাহ শরিফের নিরাপত্তা দাবি করেন তিনি।

এ ব্যাপারে মাদরাসা শিক্ষক আবুল কাশেমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বক্তব্যকে অপপ্রচার বলে উল্লেখ করে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি মাজারে গাঁজা সেবন ও নেশা করার বিষয়ে সবাইকে সোচ্চার থাকার জন্য বলেছি। আমি মাজার ভাঙার জন্য কোন ঘোষণা দেইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস

জামালপুরে মাজার ভাঙার ঘোষণার প্রতিবাদে স্মারকলিপি পেশ

আপডেট সময় ০৮:১১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জামালপুরে এক ধর্মসভায় প্রকাশ্যে মাজার ভাঙার ঘোষণা দেওয়ার প্রতিবাদে স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে জামালপুর মাজার ও খানকাহ শরিফ ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সেনাক্যাম্পসহ বিভিন্ন দপ্তরে এই স্মারকলিপি পেশ করেন।

এ সময় জামালপুর মাজার ও খানকাহ শরিফ ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. মজিবর রহমান, শামীম আলম, আতিউর রহমান চিশতী, বাবুল ইসলাম কলম চিশতী, নাহিদ হোসেন, সৈয়দুর রহমান, খাইরুল ইসলাম, রুস্তম দেওয়ানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপি সূত্রে জানা গেছে, ১৬ সেপ্টেম্বর জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের নারিকেলী মোড়ে তৌহিদি জনতা সিরাতুন্নবী (সা.) নামের এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ওই অনুষ্ঠানে জামালপুর পৌরশহরের ডাকপাড়া জামিয়া ইনআমিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষক আবুল কাশেম অলি আউলিয়াদের সম্পর্কে প্রকাশ্যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও উস্কানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে তার সহযোগীদেরকে জামালপুর জেলার সকল দরবার, মাজার ও খানকাহ শরিফ ভেঙে ফেলার ঘোষণা দেন। জামালপুর জেলায় প্রায় ১১৩টি মাজার ও খানকাহ শরিফ রয়েছে। এসব মাজার ও খানকায় প্রায় ১৫ লাখ ভক্ত ও আশেকান-জাকেরান রয়েছেন। ডাকপাড়া জামিয়া ইনআমিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষক আবুল কাশেমের উস্কানিমূলক এই বক্তব্য আশেকান-জাকেরানের কলিজায় লেগেছে। যে কোন সময় তার উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি হতে পারে। হযরত শাহ জামাল (রহ:) এর নাম অনুসারে জামালপুর জেলার নামকরণ করা হয়েছে। তাই মাজার প্রেমিক, অলি প্রেমিক ভক্তবৃন্দরা আবুল কাশেমের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তার এমন অসৌজন্যমূলক বক্তব্য শান্ত জামালপুরকে অশান্ত করে তুলেছে।

স্মারকলিপি পেশ শেষে জামালপুর মাজার ও খানকাহ শরীফ ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. মজিবর রহমান জানান, মাজার ভাঙার ঘোষণা দেওয়ার ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আমরা এই উস্কানিমূলক ঘোষণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যদি কোন মাজারে হামলার ঘটনা ঘটে তবে জেলার বিভিন্ন মাজারের ভক্তরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে। মাদরাসা শিক্ষক আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জেলার সকল মাজার ও খানকাহ শরিফের নিরাপত্তা দাবি করেন তিনি।

এ ব্যাপারে মাদরাসা শিক্ষক আবুল কাশেমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বক্তব্যকে অপপ্রচার বলে উল্লেখ করে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি মাজারে গাঁজা সেবন ও নেশা করার বিষয়ে সবাইকে সোচ্চার থাকার জন্য বলেছি। আমি মাজার ভাঙার জন্য কোন ঘোষণা দেইনি।