ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মসজিদ-মাদরাসায় বিশেষ দোয়া শেরপুরে দু’দিনব্যাপী পর্যটন উদ্যোক্তা তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু রক্তের বন্ধন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন বেলটিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত নিহত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র চলছে : এম. রশীদুজ্জামান মিল্লাত জামালপুরে সাংবাদিক ও দলিল লেখকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন জেলা মানবাধিকার রক্ষাকারী নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন : সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম, আরজু সম্পাদক সাংবাদিকদের জানিয়ে শেরপুর সদর আসনে মাঠে নামলেন ইলিয়াস উদ্দিন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সরিষাবাড়ীতে নারীদের দোয়া মাহফিল

জামালপুরের ১৩ শহীদ পরিবার পেল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আর্থিক সহায়তা

শহীদ পরিবারের পিতা-মাতার কাছে আর্থিক সহায়তার টাকা তুলে জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান। ছবি : আসমাউল আসিফ

শহীদ পরিবারের পিতা-মাতার কাছে আর্থিক সহায়তার টাকা তুলে জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান। ছবি : আসমাউল আসিফ

মো. আলমগীর
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার উদ্যোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জামালপুরের ১৪ জন শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ২৯ আগস্ট, বৃহস্পতিবার বিকেলে জামালপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির বীর মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দোয়া ও আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান।

জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে জালেমের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছে তাদের মধ্যে সব চাইতে বড় শহীদ হচ্ছে জালেমের বিরুদ্ধে যারা হক কথা বলেছেন। আজকে ছাত্ররা যে আন্দোলন পরিচালনা করেছে আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের ইতিহাসে যত অতীতে আন্দোলন হয়েছে জিহাদ হয়েছে তন্মধ্যে সব চেয়ে বড় জিহাদ এই ছাত্র জনতার জিহাদ। যা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আমি ছাত্রদের অভিনন্দন জানাই।

তিনি আরও বলেন, আজকে আমি শহীদ পরিবারের সদস্য যারা এখানে এসেছেন আপনাদের আমি সহযোগিতা করতে আসি নাই। আপনাদের কোনো ত্রাণ বা ইত্যাদি কিছুই দেওয়ার জন্য আসি নাই। আপনারা জাতির জন্য একটি গর্বিত পিতা ও গর্বিত মাতার গর্বিত সন্তান। আপনাদের একান্ত ভাবে পাশে পাওয়ার জন্য এসেছি। যে সমস্ত ভাইয়েরা শহীদ হয়েছেন যাতে সঠিক সংখ্যা সরকার ঠিক মতো সংরক্ষণ করে রাখেন। যাতে শহীদের মর্যাদায় ইতিহাস লেখা হয় আমি সেই দাবি জানাই।

তিনি বলেন, এই আন্দোলনে যত লোক শহীদ হয়েছে তাদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুধু তাই নয়, যারা আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে আল্লাহ যেন তাদের দ্রুত সুস্থ করে দেন। পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী দেয় হযরত মোহাম্মদ (স.) যেভাবে শাসন করেছিলেন আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে কেউ সেভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয় নাই। আগামীতে কেউ করতে পারবে না। সেই জন্য রাসুলুল্লাহ (স.) এর মডেলে বাংলাদেশকেও একটি ইসলামী রাষ্ট্র হিসেবে কায়েম করার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্কুল কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সমস্ত বই বানানো হতো সেখান থেকেও ইসলাম শিক্ষাকে গুম করার জন্য সিলেবাসকে পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। জঘন্যতম ষড়যন্ত্র চলছে বাংলাদেশের উপরে। আজকে যারা বাংলাদেশকে নিয়ে আরও অনেক বছর খেলতে চেয়েছিলেন আল্লাহতালা তাদের খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তারা মানুষকে গোলামে পরিণত করেছিল। শুধু তাই নয় দেশের বিচার বিভাগকেও গোলামে পরিণত করেছিল। মানুষের শেষ ঠিকানা হচ্ছে বিচার বিভাগ। তারা সেটাকেও ধংস করে দিয়েছে। দেশের পুলিশ প্রশাসনসহ সকল প্রশাসনকে জীবন্ত গোলামে পরিণত করে দেওয়া হয়েছিল। আগে যারা চাকরি করতো তাদের কী চাকরিতে রাখার উপায় আছে। বর্তমান সরকার সেই দিকে সুদৃষ্টি রাখছেন এবং তারা কাজ করছেন। যারা জনগণের কল্যাণ ও মূল্যায়ন করে নাই এবং জনগণের ক্ষতি করেছে, যারা সুশাসন করে নাই দুঃশাসন করেছে, তাদেরকে বাদ দিয়ে সমাজ থেকে নিরপেক্ষ লোক যারা দলীয় লোক না যারা নিরপেক্ষ লোক দলমত নির্বিশেষে যারা কাজ করবে এই ধরনের লোক দিয়ে প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে হবে।

নায়েবে আমীর অধ্যাপক অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, অনেকেই তাড়াতাড়ি নির্বাচন চাচ্ছে। আপনারা বলেন তো এই সমস্ত প্রশাসনের লোক দিয়ে কি নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব? সম্ভব না। যদি নির্বাচনই না হয় তা হলে নির্বাচনের দরকার নেই। আমরা কেয়ারটেকার সরকারের এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি করেছিলাম। সেভাবেই নির্বাচন হবে। দেশের লোক ভোট দিবে। যাকে খুশি তাকে ভোট দিবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক মাওলানা মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আইনজীবী মো. আব্দুল আওয়ালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালক ও সাংগঠনিক সেক্রেটারি ড. মো. ছামিউল হক ফারুকী, জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার সাবেক আমীর আইনজীবী মো. নাজমুল হক সাঈদী, সহ-সেক্রেটারি মাওলানা মো. নুরুল হক জামালী, আইনজীবী সুলতান মাহমুদ, সাবেক সেক্রেটারি অধ্যাপক হারুন অর রশিদ, সদর উপজেলার আমীর আইনজীবী আদিমুল ইসলাম, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুস সাত্তার, অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, মাওলানা কুদরাত খুদা, জামালপুর জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আহমাদ সালমান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জামালপুরের সমন্বয়ক মীর ইসহাক হাসান ইখলাস, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ মোস্তফা আকন্দের পিতা স্বপন আকন্দ প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত জামালপুর জেলার ১৩ জন শহীদ পরিবারের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে তাদের প্রত্যেক পরিবারকে নগদ দুই লাখ টাকা করে এক কালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে জামালপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস

জামালপুরের ১৩ শহীদ পরিবার পেল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আর্থিক সহায়তা

আপডেট সময় ১০:০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪
শহীদ পরিবারের পিতা-মাতার কাছে আর্থিক সহায়তার টাকা তুলে জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান। ছবি : আসমাউল আসিফ

মো. আলমগীর
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার উদ্যোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জামালপুরের ১৪ জন শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ২৯ আগস্ট, বৃহস্পতিবার বিকেলে জামালপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির বীর মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দোয়া ও আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান।

জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে জালেমের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছে তাদের মধ্যে সব চাইতে বড় শহীদ হচ্ছে জালেমের বিরুদ্ধে যারা হক কথা বলেছেন। আজকে ছাত্ররা যে আন্দোলন পরিচালনা করেছে আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের ইতিহাসে যত অতীতে আন্দোলন হয়েছে জিহাদ হয়েছে তন্মধ্যে সব চেয়ে বড় জিহাদ এই ছাত্র জনতার জিহাদ। যা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আমি ছাত্রদের অভিনন্দন জানাই।

তিনি আরও বলেন, আজকে আমি শহীদ পরিবারের সদস্য যারা এখানে এসেছেন আপনাদের আমি সহযোগিতা করতে আসি নাই। আপনাদের কোনো ত্রাণ বা ইত্যাদি কিছুই দেওয়ার জন্য আসি নাই। আপনারা জাতির জন্য একটি গর্বিত পিতা ও গর্বিত মাতার গর্বিত সন্তান। আপনাদের একান্ত ভাবে পাশে পাওয়ার জন্য এসেছি। যে সমস্ত ভাইয়েরা শহীদ হয়েছেন যাতে সঠিক সংখ্যা সরকার ঠিক মতো সংরক্ষণ করে রাখেন। যাতে শহীদের মর্যাদায় ইতিহাস লেখা হয় আমি সেই দাবি জানাই।

তিনি বলেন, এই আন্দোলনে যত লোক শহীদ হয়েছে তাদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুধু তাই নয়, যারা আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে আল্লাহ যেন তাদের দ্রুত সুস্থ করে দেন। পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী দেয় হযরত মোহাম্মদ (স.) যেভাবে শাসন করেছিলেন আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে কেউ সেভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয় নাই। আগামীতে কেউ করতে পারবে না। সেই জন্য রাসুলুল্লাহ (স.) এর মডেলে বাংলাদেশকেও একটি ইসলামী রাষ্ট্র হিসেবে কায়েম করার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্কুল কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সমস্ত বই বানানো হতো সেখান থেকেও ইসলাম শিক্ষাকে গুম করার জন্য সিলেবাসকে পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। জঘন্যতম ষড়যন্ত্র চলছে বাংলাদেশের উপরে। আজকে যারা বাংলাদেশকে নিয়ে আরও অনেক বছর খেলতে চেয়েছিলেন আল্লাহতালা তাদের খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তারা মানুষকে গোলামে পরিণত করেছিল। শুধু তাই নয় দেশের বিচার বিভাগকেও গোলামে পরিণত করেছিল। মানুষের শেষ ঠিকানা হচ্ছে বিচার বিভাগ। তারা সেটাকেও ধংস করে দিয়েছে। দেশের পুলিশ প্রশাসনসহ সকল প্রশাসনকে জীবন্ত গোলামে পরিণত করে দেওয়া হয়েছিল। আগে যারা চাকরি করতো তাদের কী চাকরিতে রাখার উপায় আছে। বর্তমান সরকার সেই দিকে সুদৃষ্টি রাখছেন এবং তারা কাজ করছেন। যারা জনগণের কল্যাণ ও মূল্যায়ন করে নাই এবং জনগণের ক্ষতি করেছে, যারা সুশাসন করে নাই দুঃশাসন করেছে, তাদেরকে বাদ দিয়ে সমাজ থেকে নিরপেক্ষ লোক যারা দলীয় লোক না যারা নিরপেক্ষ লোক দলমত নির্বিশেষে যারা কাজ করবে এই ধরনের লোক দিয়ে প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে হবে।

নায়েবে আমীর অধ্যাপক অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, অনেকেই তাড়াতাড়ি নির্বাচন চাচ্ছে। আপনারা বলেন তো এই সমস্ত প্রশাসনের লোক দিয়ে কি নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব? সম্ভব না। যদি নির্বাচনই না হয় তা হলে নির্বাচনের দরকার নেই। আমরা কেয়ারটেকার সরকারের এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি করেছিলাম। সেভাবেই নির্বাচন হবে। দেশের লোক ভোট দিবে। যাকে খুশি তাকে ভোট দিবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক মাওলানা মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আইনজীবী মো. আব্দুল আওয়ালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালক ও সাংগঠনিক সেক্রেটারি ড. মো. ছামিউল হক ফারুকী, জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার সাবেক আমীর আইনজীবী মো. নাজমুল হক সাঈদী, সহ-সেক্রেটারি মাওলানা মো. নুরুল হক জামালী, আইনজীবী সুলতান মাহমুদ, সাবেক সেক্রেটারি অধ্যাপক হারুন অর রশিদ, সদর উপজেলার আমীর আইনজীবী আদিমুল ইসলাম, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুস সাত্তার, অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, মাওলানা কুদরাত খুদা, জামালপুর জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আহমাদ সালমান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জামালপুরের সমন্বয়ক মীর ইসহাক হাসান ইখলাস, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ মোস্তফা আকন্দের পিতা স্বপন আকন্দ প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত জামালপুর জেলার ১৩ জন শহীদ পরিবারের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে তাদের প্রত্যেক পরিবারকে নগদ দুই লাখ টাকা করে এক কালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে জামালপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।