
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম
জামালপুর শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতাভোগীদের অর্থের সুরক্ষা ও ডিজিটাল হ্যাকিং প্রতিরোধে করণীয় ও সুপারিশ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।
১১ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জামালপুর শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুল কাইয়ুম। ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা ফারুক মিয়া।
মুক্ত আলোচনায় অন্যান্যের মাঝে অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও সুপারিশ রাখেন ইউসিডি কমিটি সভাপতি জিএস মিজানুর রহমান, জামালপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ফজলুল হক, কাউন্সিলর রাজিব সিংহ সাহা, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ। সেমিনারে পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও ভাতাভোগীরা অংশ নেন।

ডিজিটাল হ্যাকিং প্রতিরোধে আলোচনা করতে গিয়ে বক্তারা করণীয় ও সুপারিশে বলেন, উপকারভোগীর মোবাইলের গোপন পিন নম্বর বিষয়ে সচেতন করা। অসাধু প্রতারক চক্র যাতে ওটিপির মাধ্যমে ফোন কল করে পিন নিতে না পারে এ বিষয়ে সচেতন করা। নগদ এর পেমেন্ট সিস্টেমে নিরাপত্তা বলয় বাড়ানো। নগদের শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো না থাকায় উপকারভোগীগণ প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্মার্ট ভাতা প্রদান পদ্ধতি জিটুপি এর সাথে ভাতাভোগীদের খাপ খাওয়ানোর প্রয়োজনীয় ক্যাম্পেইন করা। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিভিত্তিক জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা করা। টাকা প্রবেশের সাথে উপকাভোগীদের মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ করা। নীতিমালা প্রণয়ন ও আইনের কঠোর প্রয়োগ করা।
সুপারিশে আরো বলা হয়, ভাতার অর্থ প্রদানে বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণের মাধ্যমে করা। মোবাইল ব্যবহারে ভাতাভোগীদের সচেতন করা। গণমাধ্যমে ব্যপকভাবে প্রচারণা বৃদ্ধি করা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজসেবার বিভাগীয় পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, ভাতাভোগীরা তুলনামূলক দরিদ্র, নিরক্ষর ও অসচেতন। এক্ষেত্রে তাদের সচেতন করতে এবং ভাতা সুরক্ষায় সমাজসেবার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতারকদের সম্পর্কে উপকারভোগীদের ধারণা দিয়ে মোবাইল ব্যবহার ও টাকা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পূর্ণ সহায়তা করতে হবে।
জানা যায়, জামালপুর শহর সমাজসেবা কার্যালয় থেকে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে বিভিন্ন ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি পেয়েছে আট হাজার ১৩৪ জন। যার মোট টাকার পরিমাণ ছয় কোটি ৬৮ লাখ, ১৮ হাজার ৪০০ টাকা।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 

















