ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয় প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং হাতি সম্পদকে ব্যবহার করে এ অঞ্চলে বৃহৎ আকারে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠতে পারে : বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল ইসলামপুরে জমির বিরোধে সংঘর্ষ : নিহত ১ বকশীগঞ্জে বাসচাপায় বউ-শাশুড়ি নিহত মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক : প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যােগে জামালপুরে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শেরপুরে আন্তর্জাতিক পোডিয়াট্রি দিবস পালিত প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বকশীগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উদযাপিত সরিষাবাড়ীতে দিনমজুর দম্পতির ৪টি ষাঁড় পুড়ে ছাই, সর্বস্বান্ত পরিবার

স্ত্রীর যৌতুকের মামলায় স্বামী কারাগারে

গ্রেপ্তার শামিম মিয়া। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

গ্রেপ্তার শামিম মিয়া। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত
নিজস্ব প্রতিবেদক, সরিষাবাড়ী, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ১২ জুন বুধবার সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে বিকালে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠায়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেপ্তার শামিম মিয়া উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের পাখিমারা গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত তিন বছর আগে উপজেলার পাখিমারা গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে শামিম মিয়ার সাথে একই ইউনিয়নের তারাকান্দি এলাকার দেলোয়ার মিয়ার মেয়ে অর্থি জন্নাতের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে আট মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। মেয়ের সুখের কথা ভেবে বিয়ের সময় শামিমকে নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ঘরের ফার্নিচার বাবদ ১ লাখ টাকা দেয় মেয়ের বাবা দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকে স্বামী শামিম মিয়া স্ত্রী অর্থি জান্নাতকে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। আরো যৌতুক দাবি করেন শামিম মিয়া। যৌতুক দিতে অস্বীকার করলে ফের মারপিট চালায় শামিম ও তার পরিবার। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে অর্থি জান্নাত বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১২ জুন বুধবার শামীমের বিরুদ্ধে সরিষাবাড়ী থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই দিন শামিমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠান।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১২ জুন) বিকালে শামিমকে আদালতে পাঠালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয়

স্ত্রীর যৌতুকের মামলায় স্বামী কারাগারে

আপডেট সময় ০৭:৫৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
গ্রেপ্তার শামিম মিয়া। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত
নিজস্ব প্রতিবেদক, সরিষাবাড়ী, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ১২ জুন বুধবার সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে বিকালে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠায়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেপ্তার শামিম মিয়া উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের পাখিমারা গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত তিন বছর আগে উপজেলার পাখিমারা গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে শামিম মিয়ার সাথে একই ইউনিয়নের তারাকান্দি এলাকার দেলোয়ার মিয়ার মেয়ে অর্থি জন্নাতের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে আট মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। মেয়ের সুখের কথা ভেবে বিয়ের সময় শামিমকে নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ঘরের ফার্নিচার বাবদ ১ লাখ টাকা দেয় মেয়ের বাবা দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকে স্বামী শামিম মিয়া স্ত্রী অর্থি জান্নাতকে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। আরো যৌতুক দাবি করেন শামিম মিয়া। যৌতুক দিতে অস্বীকার করলে ফের মারপিট চালায় শামিম ও তার পরিবার। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে অর্থি জান্নাত বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১২ জুন বুধবার শামীমের বিরুদ্ধে সরিষাবাড়ী থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই দিন শামিমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠান।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১২ জুন) বিকালে শামিমকে আদালতে পাঠালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।