ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ট্রাক্টরচাপায় মাদরাসাছাত্র এক শিশু নিহত সদিচ্ছা থাকলে কাজে সফলতা আসবেই : ডিসি মোহাম্মদ ইউসুপ আলী শ্বশুরবাড়ির লোকদের হয়রানির অভিযোগে পুলিশের এসআইয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সরিষাবাড়ীতে যুবদলের দোয়া মাহফিল খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে তিলে তিলে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে : মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল  ৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মসজিদ-মাদরাসায় বিশেষ দোয়া শেরপুরে দু’দিনব্যাপী পর্যটন উদ্যোক্তা তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু রক্তের বন্ধন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন বেলটিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত নিহত

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাইল্যান্ডে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে ২৯ এপ্রিল দেশে ফিরেছেন ।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এরআগে ব্যাংককের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১০ মিনিটে বিমানটি ব্যাংককের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়।

শেখ হাসিনা থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উভয় সফরের অংশ হিসেবে ২৪ এপ্রিল এখানে পৌঁছেন।

শেখ হাসিনা গত ২৬ এপ্রিল থাই প্রধানমন্ত্রী থাভিসিনের সঙ্গে গভর্নমেন্ট হাউজে (থাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের দুই নেতার উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি, জ্বালানি, পর্যটন ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) আলোচনার বিষয়ে পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক নথি সই হয়।

সেখানে থাই প্রধানমন্ত্রী থাভিসিনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্নভোজ সভায় শেখ হাসিনা তাঁর এই সফরকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, ‘এই সরকারি সফর আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে।’

পাশাপাশি ২৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুসিত প্রাসাদের অ্যামফোর্ন সাথার্ন থ্রোন হলে থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন ফ্রা ভাজিরা-ক্লাওচা-উয়ুয়া এবং রানী সুথিদা বজ্রসুধা-বিমলা-লক্ষণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

তাঁর বহুপাক্ষিক ব্যস্ততার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনা ২৫ এপ্রিল ব্যাংককের জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে (ইউএনসিসি)-এর এসক্যাপ হলে এশিয়া ও প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনএসক্যাপ) ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন।

ঢাকা এবং ব্যাংককের মধ্যে সই হওয়া পাঁচটি নথি হচ্ছে- একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং একটি অভিপ্রায় পত্র (লেটার অফ ইনটেনশন)সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত চুক্তি, জ্বালানি সহযোগিতা, শুল্ক বিষয়ে সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা এবং পর্যটন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক এবং ২০২৪ সালের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা সংক্রান্ত অভিপ্রায় পত্র।

২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংককের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক পৌঁছালে তাঁকে বিমানবন্দরে গান স্যালুট দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জে ট্রাক্টরচাপায় মাদরাসাছাত্র এক শিশু নিহত

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাইল্যান্ডে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে ২৯ এপ্রিল দেশে ফিরেছেন ।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এরআগে ব্যাংককের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১০ মিনিটে বিমানটি ব্যাংককের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়।

শেখ হাসিনা থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উভয় সফরের অংশ হিসেবে ২৪ এপ্রিল এখানে পৌঁছেন।

শেখ হাসিনা গত ২৬ এপ্রিল থাই প্রধানমন্ত্রী থাভিসিনের সঙ্গে গভর্নমেন্ট হাউজে (থাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের দুই নেতার উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি, জ্বালানি, পর্যটন ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) আলোচনার বিষয়ে পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক নথি সই হয়।

সেখানে থাই প্রধানমন্ত্রী থাভিসিনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্নভোজ সভায় শেখ হাসিনা তাঁর এই সফরকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, ‘এই সরকারি সফর আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে।’

পাশাপাশি ২৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুসিত প্রাসাদের অ্যামফোর্ন সাথার্ন থ্রোন হলে থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন ফ্রা ভাজিরা-ক্লাওচা-উয়ুয়া এবং রানী সুথিদা বজ্রসুধা-বিমলা-লক্ষণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

তাঁর বহুপাক্ষিক ব্যস্ততার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনা ২৫ এপ্রিল ব্যাংককের জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে (ইউএনসিসি)-এর এসক্যাপ হলে এশিয়া ও প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনএসক্যাপ) ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন।

ঢাকা এবং ব্যাংককের মধ্যে সই হওয়া পাঁচটি নথি হচ্ছে- একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং একটি অভিপ্রায় পত্র (লেটার অফ ইনটেনশন)সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত চুক্তি, জ্বালানি সহযোগিতা, শুল্ক বিষয়ে সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা এবং পর্যটন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক এবং ২০২৪ সালের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা সংক্রান্ত অভিপ্রায় পত্র।

২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংককের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক পৌঁছালে তাঁকে বিমানবন্দরে গান স্যালুট দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।