ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী চরযথার্থপুর দাখিল মাদরাসার দপ্তরীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাদারগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৪ গরু, দগ্ধ আরও দুটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তাঁর সরকার শুধুমাত্র দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ জুলাই পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে বাংলাদেশের কারো সঙ্গে কোন ধরনের যুদ্ধে জড়ানোর ইচ্ছে নেই।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রকৃতপক্ষে কারো সাথে যুদ্ধে জড়াতে চাই না। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি শুধুমাত্র আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।’

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী বিএনএস শের-ই-বাংলা’র নবনির্মিত ঘাঁটি, ৪১টি পিসিএস-এর চারটি জাহাজ ও চারটি এলসিইউর কমিশনিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। তিনি বলেন, সরকার নৌবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছে, ফলে তারা আন্তর্জাতিক স্তরের যোগ্যতা ও মান অর্জনের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে উঠেছে।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘আমরা সেই উদ্দেশ্যে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি।’

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হেলিকপ্টার কেনার পাশাপাশি সাগরে নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল।

শুরুতেই বিএনএস শেরে বাংলা, ৪১ পিসিএসের চারটি জাহাজ ও চারটি এলসিইউ-এর ওপর একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।

কমিশনিং অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল বিএনএস শের-ই-বাংলার বেস কমান্ডার এবং চারটি জাহাজের কমান্ডার এবং ৪১ পিসিএসের চারটি এলসিইউ-এর কাছে কমিশনিং ফরমান হস্তান্তর করেন।

প্রধানমন্ত্রী বিএনএস শের-ই-বাংলা ঘাঁটি এবং ৪১ পিসিএসের চারটি জাহাজ ও চারটি এলসিইউ-এর নেমপ্লেটও উন্মোচন করেন।

পরে, এই প্রথম বারের মত নৌ-ঐতিহ্য অনুযায়ী বিএনএস শের-ই-বাংলা ঘাঁটি, চারটি জাহাজ এবং চারটি এলসিইউতে জাতীয় পতাকা উড়ানো হয়- যা নৌবাহিনীতে ‘রঙ’ নামে পরিচিত।

নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত সাড়ে ১৪ বছরে “ফোর্সেস গোল-২০৩০” অর্জনে নৌবহরে এভিয়েশন উইং ও সাবমেরিন যুক্ত করে নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ বিশ্বে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, নৌবাহিনীতে সর্বাধিক সংখ্যক যুদ্ধজাহাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, অন্যদিকে হেলিকপ্টার এবং টহল বিমান এবং বিশেষায়িত বাহিনী স্পেশাল ওয়ারফেয়ার ডাইভিং অ্যান্ড স্যালভেজ (এসডব্লিউডিএস) দ্বারা সজ্জিত নেভাল এভিয়েশন তৈরি করা হয়েছে। জাহাজ নির্মাণের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নিজস্ব জাহাজ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের দেশ এগিয়ে যাক। আমাদের নৌবাহিনী ইতিমধ্যে অনেক সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ‘বায়ার নেভি’ থেকে ‘বিল্ডার নেভি’-তে পরিণত হয়েছে।

বিএনএস শের-ই-বাংলা ঘাঁটি এবং নৌবাহিনীর ৮টি জাহাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই ঘাঁটি ও জাহাজগুলি তাদের নিজ নিজ অপারেশনাল কার্যক্রমের পাশাপাশি পায়রা সমুদ্রবন্দরের নিরাপত্তা ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা ছাড়াও সমুদ্রে দেশি-বিদেশি জাহাজ এবং উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তাও নিশ্চিত করবে। শেখ হাসিনা বলেন, নৌবাহিনী চোরাচালান ও অবৈধ মাছ ধরা প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। এই বাহিনী উপকূলীয় জনগণকেও সহায়তা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেশ-বিদেশে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাজের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌবাহিনী শুধু দেশেই নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বিশাল অবদান রেখে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করছে। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বহুজাতিক মেরিটাইম টাস্ক ফোর্সের অধীনে ভূমধ্যসাগরে সফলভাবে মোতায়েন করায় বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বদলে গেছে। বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধশালী, স্মার্ট দেশ। শেখ হাসিনা বলেন, “এভাবেই আমরা বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি।”

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : তাঁর সরকার শুধুমাত্র দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ জুলাই পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে বাংলাদেশের কারো সঙ্গে কোন ধরনের যুদ্ধে জড়ানোর ইচ্ছে নেই।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রকৃতপক্ষে কারো সাথে যুদ্ধে জড়াতে চাই না। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি শুধুমাত্র আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।’

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী বিএনএস শের-ই-বাংলা’র নবনির্মিত ঘাঁটি, ৪১টি পিসিএস-এর চারটি জাহাজ ও চারটি এলসিইউর কমিশনিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। তিনি বলেন, সরকার নৌবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছে, ফলে তারা আন্তর্জাতিক স্তরের যোগ্যতা ও মান অর্জনের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে উঠেছে।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘আমরা সেই উদ্দেশ্যে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি।’

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হেলিকপ্টার কেনার পাশাপাশি সাগরে নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল।

শুরুতেই বিএনএস শেরে বাংলা, ৪১ পিসিএসের চারটি জাহাজ ও চারটি এলসিইউ-এর ওপর একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।

কমিশনিং অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল বিএনএস শের-ই-বাংলার বেস কমান্ডার এবং চারটি জাহাজের কমান্ডার এবং ৪১ পিসিএসের চারটি এলসিইউ-এর কাছে কমিশনিং ফরমান হস্তান্তর করেন।

প্রধানমন্ত্রী বিএনএস শের-ই-বাংলা ঘাঁটি এবং ৪১ পিসিএসের চারটি জাহাজ ও চারটি এলসিইউ-এর নেমপ্লেটও উন্মোচন করেন।

পরে, এই প্রথম বারের মত নৌ-ঐতিহ্য অনুযায়ী বিএনএস শের-ই-বাংলা ঘাঁটি, চারটি জাহাজ এবং চারটি এলসিইউতে জাতীয় পতাকা উড়ানো হয়- যা নৌবাহিনীতে ‘রঙ’ নামে পরিচিত।

নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত সাড়ে ১৪ বছরে “ফোর্সেস গোল-২০৩০” অর্জনে নৌবহরে এভিয়েশন উইং ও সাবমেরিন যুক্ত করে নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ বিশ্বে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, নৌবাহিনীতে সর্বাধিক সংখ্যক যুদ্ধজাহাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, অন্যদিকে হেলিকপ্টার এবং টহল বিমান এবং বিশেষায়িত বাহিনী স্পেশাল ওয়ারফেয়ার ডাইভিং অ্যান্ড স্যালভেজ (এসডব্লিউডিএস) দ্বারা সজ্জিত নেভাল এভিয়েশন তৈরি করা হয়েছে। জাহাজ নির্মাণের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নিজস্ব জাহাজ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের দেশ এগিয়ে যাক। আমাদের নৌবাহিনী ইতিমধ্যে অনেক সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ‘বায়ার নেভি’ থেকে ‘বিল্ডার নেভি’-তে পরিণত হয়েছে।

বিএনএস শের-ই-বাংলা ঘাঁটি এবং নৌবাহিনীর ৮টি জাহাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই ঘাঁটি ও জাহাজগুলি তাদের নিজ নিজ অপারেশনাল কার্যক্রমের পাশাপাশি পায়রা সমুদ্রবন্দরের নিরাপত্তা ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা ছাড়াও সমুদ্রে দেশি-বিদেশি জাহাজ এবং উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তাও নিশ্চিত করবে। শেখ হাসিনা বলেন, নৌবাহিনী চোরাচালান ও অবৈধ মাছ ধরা প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। এই বাহিনী উপকূলীয় জনগণকেও সহায়তা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেশ-বিদেশে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাজের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌবাহিনী শুধু দেশেই নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বিশাল অবদান রেখে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করছে। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বহুজাতিক মেরিটাইম টাস্ক ফোর্সের অধীনে ভূমধ্যসাগরে সফলভাবে মোতায়েন করায় বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বদলে গেছে। বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধশালী, স্মার্ট দেশ। শেখ হাসিনা বলেন, “এভাবেই আমরা বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি।”