ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে ৬৪ জেলায় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান মিল্লাতের জাতীয় পর্যায়ে ১৮ দিবসসহ অন্যান্য দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা ইসলামপুরে আলাই বিলে শিশু নিখোঁজ মাদারগঞ্জে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ১৬ মাসের শিশু রাতুলের নকলায় মুক্তিযোদ্ধার ভাতা নিয়ে বিরোধ, দ্বিতীয় স্ত্রী আদালতে ইসলামপুরে ছাত্রলীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের মশাল মিছিল ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয় প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং হাতি সম্পদকে ব্যবহার করে এ অঞ্চলে বৃহৎ আকারে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠতে পারে : বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল

শেরপুরে রাতের আধারে চিড়িয়াখানার হরিণ জবাই করে ভাগ-বাটোয়ারা, গ্রেপ্তার ১

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্কের মিনি চিড়িয়াখানা থেকে একমাত্র চিত্রা হরিণটি রাতের আঁধারে জবাই করে খেয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ৩০ মে বাদশা মিয়া (৩৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। এর আগে ২৮ মে রাতে হরিণ জবাই করার ঘটনার পর ২৯ মে সকালে বাদশা মিয়াকে আটক হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হরিণের চামড়া উদ্ধার করে বন বিভাগ।

গ্রেপ্তার বাদশা মিয়া উপজেলার বাতকুচি গ্রামের জাহেদ আলীর ছেলে।

অভিযোগ রয়েছে, হরিণ জবাইয়ের ঘটনায় ৭-৮ জনের একটি দল জড়িত রয়েছে।

জেলা বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ বন বিভাগের আওতাধীন মধুটিলা-ইকোপার্কের ভেতরে মিনি চিড়িয়াখানায় থাকা দুইটি হরিণের মধ্যে একটির মরদেহের অংশ বিশেষ পার্কের ভেতরে পাওয়া যায় গত ৯ এপ্রিল। পরে ওই হরিণটি বন্য শিয়াল খেয়ে ফেলে।

পরে চিড়িয়াখানায় থাকা একমাত্র চিত্রাহরিণটি ২৮ মে রাতে বাতকুঁচি নামাপাড়া এলাকার কতিপয় দুর্বৃত্ত মিলে চুরি করে জবাই করার পর ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়। পরদিন ২৯ মে ভোরে বিষয়টি টের পেয়ে বন বিভাগের লোকজন তদন্তে নামেন এবং সকালে বাতকুঁচি বাজার থেকে ওই গ্রামের বাদশা মিয়াকে আটক করে। এ সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাদশার পুকুর থেকে জবাই করা হরিণের চামড়া উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক হরিণটির ওজন ছিল প্রায় ৫০ কেজি। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ৩০ মে গ্রেপ্তারকৃত বাদশাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রেঞ্জ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, হরিণ জবাইয়ের ঘটনায় ৭-৮ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদেরকেও আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শেরপুরে রাতের আধারে চিড়িয়াখানার হরিণ জবাই করে ভাগ-বাটোয়ারা, গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় ১০:১১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্কের মিনি চিড়িয়াখানা থেকে একমাত্র চিত্রা হরিণটি রাতের আঁধারে জবাই করে খেয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ৩০ মে বাদশা মিয়া (৩৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। এর আগে ২৮ মে রাতে হরিণ জবাই করার ঘটনার পর ২৯ মে সকালে বাদশা মিয়াকে আটক হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হরিণের চামড়া উদ্ধার করে বন বিভাগ।

গ্রেপ্তার বাদশা মিয়া উপজেলার বাতকুচি গ্রামের জাহেদ আলীর ছেলে।

অভিযোগ রয়েছে, হরিণ জবাইয়ের ঘটনায় ৭-৮ জনের একটি দল জড়িত রয়েছে।

জেলা বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ বন বিভাগের আওতাধীন মধুটিলা-ইকোপার্কের ভেতরে মিনি চিড়িয়াখানায় থাকা দুইটি হরিণের মধ্যে একটির মরদেহের অংশ বিশেষ পার্কের ভেতরে পাওয়া যায় গত ৯ এপ্রিল। পরে ওই হরিণটি বন্য শিয়াল খেয়ে ফেলে।

পরে চিড়িয়াখানায় থাকা একমাত্র চিত্রাহরিণটি ২৮ মে রাতে বাতকুঁচি নামাপাড়া এলাকার কতিপয় দুর্বৃত্ত মিলে চুরি করে জবাই করার পর ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়। পরদিন ২৯ মে ভোরে বিষয়টি টের পেয়ে বন বিভাগের লোকজন তদন্তে নামেন এবং সকালে বাতকুঁচি বাজার থেকে ওই গ্রামের বাদশা মিয়াকে আটক করে। এ সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাদশার পুকুর থেকে জবাই করা হরিণের চামড়া উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক হরিণটির ওজন ছিল প্রায় ৫০ কেজি। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ৩০ মে গ্রেপ্তারকৃত বাদশাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রেঞ্জ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, হরিণ জবাইয়ের ঘটনায় ৭-৮ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদেরকেও আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।