ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে ৬৪ জেলায় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান মিল্লাতের জাতীয় পর্যায়ে ১৮ দিবসসহ অন্যান্য দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা ইসলামপুরে আলাই বিলে শিশু নিখোঁজ মাদারগঞ্জে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ১৬ মাসের শিশু রাতুলের নকলায় মুক্তিযোদ্ধার ভাতা নিয়ে বিরোধ, দ্বিতীয় স্ত্রী আদালতে ইসলামপুরে ছাত্রলীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের মশাল মিছিল ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয় প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং হাতি সম্পদকে ব্যবহার করে এ অঞ্চলে বৃহৎ আকারে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠতে পারে : বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল

সাত বছর পর র‌্যাবের জালে ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

গ্রেপ্তার আসামি রানা মিয়া। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

গ্রেপ্তার আসামি রানা মিয়া। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে স্কুল ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রানা মিয়া (৩৫) ওরফে অন্তরকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪। ৩০ মার্চ বিকালে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। গ্রেপ্তার রানা জেলার নকলা উপজেলার পূর্ব পাঠাকাটা গ্রামের বাসিন্দা। সে ওই এলাকার রইছ উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার পর থেকেই রানা ৭ বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল।

প্রেস রিলিজে র‌্যাব-১৪ জানায়, ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রীর বাবা প্রবাসী এবং মা মানসিক প্রতিবন্ধী। সেইসুবাদে তার বড় চাচা বাদশা মিয়া তাকে দেখাশুনাসহ লেখাপড়া করাতেন। ওই ছাত্রী স্কুলে যাতায়াতের পথে রানা মিয়া ওরফে অন্তর প্রেম নিবেদনসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। বিষয়টি বাদশা মিয়া রানার অভিভাবকদের জানায়। কিন্তু অভিভাবকরা তা কর্ণপাত না করে রানাকে আরও উৎসাহিত করে। ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি স্কুল ছুটি শেষে বাড়ির উদ্দেশ্যে আসার পথে ওই ছাত্রী ফাঁকা জায়গায় পৌঁছা মাত্র ওঁৎ পেতে থাকা রানা ও তার ২-৩ জন সহযোগী পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ছাত্রীকে জোর পূর্বক সিএনজিতে করে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ১৩ মার্চ স্কুল ছাত্রীর চাচা বাদী হয়ে নকলা থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ দাখিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ আখতারুজ্জামান ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আসামি রানাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম এবং ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

প্রেস রিলিজে র‌্যাব-১৪ আরো জানায়, রানা ঘটনার পর থেকেই ৭ বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামানের নেতৃত্বে এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এম এম সবুজ রানার উপস্থিতিতে র‌্যাবের একটি অভিযানিক দল ২৯ মার্চ রাতে গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকার তেপিরবাড়ী বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। এর পরপরই রানাকে নকলা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সাত বছর পর র‌্যাবের জালে ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

আপডেট সময় ০৮:২৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩
গ্রেপ্তার আসামি রানা মিয়া। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে স্কুল ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রানা মিয়া (৩৫) ওরফে অন্তরকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪। ৩০ মার্চ বিকালে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। গ্রেপ্তার রানা জেলার নকলা উপজেলার পূর্ব পাঠাকাটা গ্রামের বাসিন্দা। সে ওই এলাকার রইছ উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার পর থেকেই রানা ৭ বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল।

প্রেস রিলিজে র‌্যাব-১৪ জানায়, ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রীর বাবা প্রবাসী এবং মা মানসিক প্রতিবন্ধী। সেইসুবাদে তার বড় চাচা বাদশা মিয়া তাকে দেখাশুনাসহ লেখাপড়া করাতেন। ওই ছাত্রী স্কুলে যাতায়াতের পথে রানা মিয়া ওরফে অন্তর প্রেম নিবেদনসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। বিষয়টি বাদশা মিয়া রানার অভিভাবকদের জানায়। কিন্তু অভিভাবকরা তা কর্ণপাত না করে রানাকে আরও উৎসাহিত করে। ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি স্কুল ছুটি শেষে বাড়ির উদ্দেশ্যে আসার পথে ওই ছাত্রী ফাঁকা জায়গায় পৌঁছা মাত্র ওঁৎ পেতে থাকা রানা ও তার ২-৩ জন সহযোগী পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ছাত্রীকে জোর পূর্বক সিএনজিতে করে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ১৩ মার্চ স্কুল ছাত্রীর চাচা বাদী হয়ে নকলা থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ দাখিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ আখতারুজ্জামান ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আসামি রানাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম এবং ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

প্রেস রিলিজে র‌্যাব-১৪ আরো জানায়, রানা ঘটনার পর থেকেই ৭ বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামানের নেতৃত্বে এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এম এম সবুজ রানার উপস্থিতিতে র‌্যাবের একটি অভিযানিক দল ২৯ মার্চ রাতে গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকার তেপিরবাড়ী বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। এর পরপরই রানাকে নকলা থানায় হস্তান্তর করা হয়।