বকশীগঞ্জে এলজিইডির রাস্তায় নিম্নমানের খোয়া, ব্যবস্থা নিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী

এলজিইডির তৎপরতায় ঠিকাদারের লোকজন নিম্নমানের খোয়া সরিয়ে নেয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

আলী আকবর, নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এলজিইডির একটি রাস্তার কাজে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার হচ্ছে, এমন অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক জামালপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে ঘটনাস্থলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন এলজিইডির বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী।

জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যায়ে বকশীগঞ্জের বাট্টাজোড়-জিন্নাহ বাজার হয়ে পানাতিয়াপাড়া পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে। নির্মাণ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স লাবণী এন্টারপ্রাইজের অনুকূলে কাজ বাস্তবায়ন করছেন সাব-ঠিকাদার ও ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান লাকপতি। কিন্তু রাস্তা নির্মাণে কাজে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুরের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুজ্জামান সাদেক দ্রুত বকশীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এর প্রেক্ষিতে বকশীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন ১৫ মার্চ বিকেলে ওই রাস্তার নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করে নিম্নমানের খোয়া দিয়ে রাস্তা ভরাটের প্রমাণ পান। পরে তিনি সেখানে উপস্থিত থেকে ঠিকাদারের শ্রমিকদের দিয়ে নিম্নমানের খোয়া উঠিয়ে ভালো খোয়া দিয়ে পুনরায় রাস্তার কাজ করান। একই সাথে তিনি নিম্নমানের খোয়া সেখান থেকে সরিয়ে নিতে বললে শ্রমিকরা তা সরিয়ে নেন।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুজ্জামান সাদেক বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, রাস্তায় নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই। আমরা সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি। নিম্নমানের ইটের খোয়া দ্রুত রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়েছে ঠিকাদারের লোকজন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার ও ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান লাকপতি ওই রাস্তায় নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যহারের অভিযোগ অস্বীকার করে বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, আমাদের কাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। সরকারি শিডিউল মেনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে কাজ করা হচ্ছে। একটি মহল মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করছে।

sarkar furniture Ad
Green House Ad