ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে ৬৪ জেলায় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান মিল্লাতের জাতীয় পর্যায়ে ১৮ দিবসসহ অন্যান্য দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা ইসলামপুরে আলাই বিলে শিশু নিখোঁজ মাদারগঞ্জে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ১৬ মাসের শিশু রাতুলের নকলায় মুক্তিযোদ্ধার ভাতা নিয়ে বিরোধ, দ্বিতীয় স্ত্রী আদালতে ইসলামপুরে ছাত্রলীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের মশাল মিছিল ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয় প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং হাতি সম্পদকে ব্যবহার করে এ অঞ্চলে বৃহৎ আকারে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠতে পারে : বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল

জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে এসডিএইচসি প্রকল্পের অভিভাবক সভা

সভায় বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব আলী খান।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সভায় বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব আলী খান।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বিএসআরএম এর আর্থিক সহায়তায় উন্নয়ন সংঘের বাস্তবায়নাধীন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এসডিএইচসি) আওতায় ২ মার্চ জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুরে কমিউনিটি পর্যায়ে অভিভাবক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আয়ুব আলী খান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্যানেল চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম।এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন এসডিএইচসি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক লিটন সরকার, যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকগণ।সভায় ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জানা যায়, উন্নয়ন সংঘের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জামালপুরে প্রাথমিকভাবে ২৮০ জন হিজড়াদের প্রকল্পের উপকারভোগী হিসেবে চিহ্নিত এবং পরিবারভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বাস্তবতা বিবেচনা করে এবং তাদের চাহিদার ভিত্তিতে ৯০ জনকে ২৫ হাজার টাকা করে বিভিন্ন ট্রেডে সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ হিজড়াদের চলমান আয়ের উৎস এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিদ্যমান সুযোগগুলো চিহ্নিত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারিভাবে আবাসন সুবিধা, পরিবারে তাদেরকে সংযুক্তি করা, সরকারি ভাতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, তাদের মর্যদা বৃদ্ধি করাসহ উন্নয়নের মূলস্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্মান ও মানবাধিকার সুরক্ষা করার কার্যক্রম চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে এসডিএইচসি প্রকল্পের অভিভাবক সভা

আপডেট সময় ০৯:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩
সভায় বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব আলী খান।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বিএসআরএম এর আর্থিক সহায়তায় উন্নয়ন সংঘের বাস্তবায়নাধীন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এসডিএইচসি) আওতায় ২ মার্চ জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুরে কমিউনিটি পর্যায়ে অভিভাবক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আয়ুব আলী খান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্যানেল চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম।এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম। সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন এসডিএইচসি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক লিটন সরকার, যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকগণ।সভায় ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জানা যায়, উন্নয়ন সংঘের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জামালপুরে প্রাথমিকভাবে ২৮০ জন হিজড়াদের প্রকল্পের উপকারভোগী হিসেবে চিহ্নিত এবং পরিবারভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বাস্তবতা বিবেচনা করে এবং তাদের চাহিদার ভিত্তিতে ৯০ জনকে ২৫ হাজার টাকা করে বিভিন্ন ট্রেডে সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ হিজড়াদের চলমান আয়ের উৎস এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিদ্যমান সুযোগগুলো চিহ্নিত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারিভাবে আবাসন সুবিধা, পরিবারে তাদেরকে সংযুক্তি করা, সরকারি ভাতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, তাদের মর্যদা বৃদ্ধি করাসহ উন্নয়নের মূলস্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্মান ও মানবাধিকার সুরক্ষা করার কার্যক্রম চলছে।