ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা মাদারগঞ্জে যমুনার বালুর চরে ফিরেছে সবুজ প্রাণ মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন

জিম্বাবুয়ের চারটি সেঞ্চুরি, বাংলাদেশের শূন্য : তামিম

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ২০১৩ সালের পর গতরাতে জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারের লজ্জা পেলো বাংলাদেশ। এক ম্যাচ বাকি থাকতে এই পরাজয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচের মত সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও ৫ উইকেটে হারে টাইগাররা। এমনকি প্রথম ওয়ানডের মত দ্বিতীয় ম্যাচেও দু’টি সেঞ্চুরি আসে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের কাছ থেকে।

দুই ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের যেখানে চারটি সেঞ্চুরি সেখানে বাংলাদেশের নেই কোন সেঞ্চুরি। এমন বড় পার্থক্যই সিরিজ হারের কারন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে প্রথম ওয়ানডেতে ২ উইকেটে ৩০৩ রান করেছিলো বাংলাদেশ। টাইগারদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮১ রান করেছিলেন ওপেনার লিটন দাস। জবাবে ১০ বল বাকি রেখে ৩০৪ রানের টার্গেট স্পর্শ করে ফেলে জিম্বাবুয়ে। ঐ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের পক্ষে জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজা। কাইয়া ১১০ ও রাজা অপরাজিত ১৩৫ রান করেন।

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটারদের হাত ধরে বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ৯ উইকেটে ২৯০ রান তুলেছিলো টাইগাররা। সর্বোচ্চ ৮০ রান আসে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের কাছ থেকে।

জবাবে অধিনায়ক রেগিস চাকাভা ও রাজার জোড়া সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেয়া ২৯১ রানের টার্গেট স্পর্শ করে ফেলে জিম্বাবুয়ে। চাকাভা ১০২ ও রাজা অপরাজিত ১১৭ রান করেন।

দুই ওয়ানডেতে চারটি সেঞ্চুরি করে জিম্বাবুয়ে। সেখানে বাংলাদেশের কোন ব্যাটাররা সেঞ্চুরির ধারে কাছেও যেতে পারেননি। সিরিজে এই চার সেঞ্চুরিতেই বাংলাদেশের বিপক্ষে দাপটের সাথে প্রথম দুই ওয়ানডে জিতে সিরিজ পকেটে ভরে নেয় জিম্বাবুয়ে। সেঞ্চুরি না থাকলেও ছয়টি হাফ সেঞ্চুরি আছে বাংলাদেশের।

তবে জিম্বাবুয়ের চারটি সেঞ্চুরির বিপরীতে বাংলাদেশের সেঞ্চুরির ভান্ডার শূন্য হওয়ায় সিরিজ হারের পেছনে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে মনে করেন তামিম। ম্যাচ শেষে তামিম বলেন, ‘সিরিজ হারের পার্থক্য হচ্ছে তারা চারটি সেঞ্চুরি পেয়েছে এবং আমরা একটিও পাইনি। এ কারনেই আমরা ভালো সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারি। ভালো শুরু পেয়েছি, কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারিনি।’

উইকেট ভালো থাকলেও নিজেদের সেরাটা খেলতে পারেননি বলে জানান তামিম। জিম্বাবুয়ে ভালো খেলে সিরিজ জিতেছে এমনটা স্বীকার করলেন তামিম, ‘শুরু থেকেই উইকেট ভালো ছিল। স্পিনারদের বিপক্ষে খেলা সহজ ছিল না। জিম্বাবুয়েকে কৃতিত্ব দিতে হবে। এই সিরিজে সেরা দল ছিলো তারা। আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমরা সেরা ক্রিকেট খেলতে পারিনি এবং এজন্য আমরা এই অবস্থানে।’

২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ৯টি দ্বিপাক্ষীক সিরিজ খেলে বাংলাদেশ। এরমধ্যে মাত্র ২টিতে হারে টাইগাররা। ওয়ানডে বিশ^কাপ সুপার লিগে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে আছে বাংলাদেশ। ১৮ ম্যাচ থেকে ১২০ পয়েন্ট টাইগারদের। আকাশে উড়তে থাকা বাংলাদেশকে মাটিতে নামিয়ে আনলো ওয়ানডে র্যাং কিংয়ের ১৫তম দল জিম্বাবুয়ে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

জিম্বাবুয়ের চারটি সেঞ্চুরি, বাংলাদেশের শূন্য : তামিম

আপডেট সময় ০৫:৫০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অগাস্ট ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ২০১৩ সালের পর গতরাতে জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারের লজ্জা পেলো বাংলাদেশ। এক ম্যাচ বাকি থাকতে এই পরাজয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচের মত সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও ৫ উইকেটে হারে টাইগাররা। এমনকি প্রথম ওয়ানডের মত দ্বিতীয় ম্যাচেও দু’টি সেঞ্চুরি আসে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের কাছ থেকে।

দুই ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের যেখানে চারটি সেঞ্চুরি সেখানে বাংলাদেশের নেই কোন সেঞ্চুরি। এমন বড় পার্থক্যই সিরিজ হারের কারন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে প্রথম ওয়ানডেতে ২ উইকেটে ৩০৩ রান করেছিলো বাংলাদেশ। টাইগারদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮১ রান করেছিলেন ওপেনার লিটন দাস। জবাবে ১০ বল বাকি রেখে ৩০৪ রানের টার্গেট স্পর্শ করে ফেলে জিম্বাবুয়ে। ঐ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের পক্ষে জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজা। কাইয়া ১১০ ও রাজা অপরাজিত ১৩৫ রান করেন।

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটারদের হাত ধরে বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ৯ উইকেটে ২৯০ রান তুলেছিলো টাইগাররা। সর্বোচ্চ ৮০ রান আসে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের কাছ থেকে।

জবাবে অধিনায়ক রেগিস চাকাভা ও রাজার জোড়া সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেয়া ২৯১ রানের টার্গেট স্পর্শ করে ফেলে জিম্বাবুয়ে। চাকাভা ১০২ ও রাজা অপরাজিত ১১৭ রান করেন।

দুই ওয়ানডেতে চারটি সেঞ্চুরি করে জিম্বাবুয়ে। সেখানে বাংলাদেশের কোন ব্যাটাররা সেঞ্চুরির ধারে কাছেও যেতে পারেননি। সিরিজে এই চার সেঞ্চুরিতেই বাংলাদেশের বিপক্ষে দাপটের সাথে প্রথম দুই ওয়ানডে জিতে সিরিজ পকেটে ভরে নেয় জিম্বাবুয়ে। সেঞ্চুরি না থাকলেও ছয়টি হাফ সেঞ্চুরি আছে বাংলাদেশের।

তবে জিম্বাবুয়ের চারটি সেঞ্চুরির বিপরীতে বাংলাদেশের সেঞ্চুরির ভান্ডার শূন্য হওয়ায় সিরিজ হারের পেছনে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে মনে করেন তামিম। ম্যাচ শেষে তামিম বলেন, ‘সিরিজ হারের পার্থক্য হচ্ছে তারা চারটি সেঞ্চুরি পেয়েছে এবং আমরা একটিও পাইনি। এ কারনেই আমরা ভালো সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারি। ভালো শুরু পেয়েছি, কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারিনি।’

উইকেট ভালো থাকলেও নিজেদের সেরাটা খেলতে পারেননি বলে জানান তামিম। জিম্বাবুয়ে ভালো খেলে সিরিজ জিতেছে এমনটা স্বীকার করলেন তামিম, ‘শুরু থেকেই উইকেট ভালো ছিল। স্পিনারদের বিপক্ষে খেলা সহজ ছিল না। জিম্বাবুয়েকে কৃতিত্ব দিতে হবে। এই সিরিজে সেরা দল ছিলো তারা। আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমরা সেরা ক্রিকেট খেলতে পারিনি এবং এজন্য আমরা এই অবস্থানে।’

২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ৯টি দ্বিপাক্ষীক সিরিজ খেলে বাংলাদেশ। এরমধ্যে মাত্র ২টিতে হারে টাইগাররা। ওয়ানডে বিশ^কাপ সুপার লিগে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে আছে বাংলাদেশ। ১৮ ম্যাচ থেকে ১২০ পয়েন্ট টাইগারদের। আকাশে উড়তে থাকা বাংলাদেশকে মাটিতে নামিয়ে আনলো ওয়ানডে র্যাং কিংয়ের ১৫তম দল জিম্বাবুয়ে।