ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একজন শাহীনা সোবহান মিতু : আমাদের আলোকবর্তিকা জামালপুরে অনূর্ধ-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু সরিষাবাড়ীতে প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় ক্ষতিকর উদ্ভিদ পার্থেনিয়াম নির্মূল অভিযান জামালপুরে শাহীনা সোবহানের ৫টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন গণভোটে প্রচারণা সংস্কারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের অংশ : আসিফ নজরুল জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ অনুমোদন একটি বইয়ের একটি লাইন জীবন পাল্টে দিতে পারে : জামালপুরের জেলা প্রশাসক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে : আলী রীয়াজ দেওয়ানপাড়ায় খালেদা জিয়ার রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া দেওয়ানগঞ্জে সরিষার ব্যাপক ফলনের সম্ভাবনা

দেয়ালের সাথে শত্রুতা

উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের করগ্রাম আলহাজ ময়েন উদ্দিন হাফিজিয়া ও ফুরকানিয়া মাদ্রাসার প্রাচীর ভেঙে ফেলার পর এভাবেই মাটিতে পড়ে আছে।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের করগ্রাম আলহাজ ময়েন উদ্দিন হাফিজিয়া ও ফুরকানিয়া মাদ্রাসার প্রাচীর ভেঙে ফেলার পর এভাবেই মাটিতে পড়ে আছে।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় পৃর্ব শত্রুতার জেরে এক মাদ্রাসার ৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি পাচীর ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী লাভলু মিয়ার বিরুদ্ধে। শনিবার (১৪ মে) রাতে উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের করগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

মাদ্রাসা ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার মহাদান ইউনিয়নে করগ্রাম আলহাজ ময়েন উদ্দিন দারুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা স্থাপিত হয়। মাদ্রার দক্ষিণ পাশ অরক্ষিত থাকায় প্রায় ছয় মাস আগে ৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি দেওয়ার নির্মাণ করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। শুরু থেকে বাঁধা দিয়ে আসছিল একই গ্রামের মৃত মজিদ মন্ডলের ছেলে লাভলু মিয়া। শনিবার সকালে দেওয়ালটি ভাঙা অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি এ নিয়ে লাভলুর সাথে কথা বলতে গেলে উল্টো তাদের সাথে বাকবিতন্ডা শুরু করে দেয় তারা। দেয়াল ভাঙাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে লাভলু মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বৃষ্টির পানিতে দেওয়ালের নিচ থেকে মাটি সরে সেটা ভেঙে গেছে। তারা দেওয়ালটি ভাঙে নাই। তিনি আরো বলেন, তার জায়গা পেঁচিয়ে দেওয়াল নির্মাণ করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। বার বার ভেঙে দিতে বললেও তারা দেয়ালটি সরাইনি বলে তিনি জানান।

মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা জালাল উদ্দীন সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে লাভলু ও তার অনুসারীরা বিরোধীতা করে আসছে। রক্ষিত দক্ষিণ পাশে ৬০ ফিট দৈর্ঘ্যের একটি দেওয়ার করা হয়। লাভলু ও তার লোকজন পরিকল্পিত ভাবে দেওয়ালের নিচ থেকে মাটি সরিয়ে সেটা ভেঙে ফেলেছে। ভাঙার কারন জানতে গেলে উল্টো আমাদেরকে বকাবকি ও মারধরের হুমকি দেয় বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে মহাদান ইউনিয়নে চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান জুয়েল জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার স্থানীয়ভাবে শালিশ-বৈঠক সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি। দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে বিষয়টি এখনো জানিনা।

মহাদান বিট পুলিশের দায়িত্বে থাকা উপ-পুলিশ পরিদর্শক আবু জাফর রবিবার বিকালে বলেন, হাফিজিয়া মাদ্রাসার দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন শাহীনা সোবহান মিতু : আমাদের আলোকবর্তিকা

দেয়ালের সাথে শত্রুতা

আপডেট সময় ১২:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মে ২০২২
উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের করগ্রাম আলহাজ ময়েন উদ্দিন হাফিজিয়া ও ফুরকানিয়া মাদ্রাসার প্রাচীর ভেঙে ফেলার পর এভাবেই মাটিতে পড়ে আছে।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় পৃর্ব শত্রুতার জেরে এক মাদ্রাসার ৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি পাচীর ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী লাভলু মিয়ার বিরুদ্ধে। শনিবার (১৪ মে) রাতে উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের করগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

মাদ্রাসা ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার মহাদান ইউনিয়নে করগ্রাম আলহাজ ময়েন উদ্দিন দারুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা স্থাপিত হয়। মাদ্রার দক্ষিণ পাশ অরক্ষিত থাকায় প্রায় ছয় মাস আগে ৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি দেওয়ার নির্মাণ করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। শুরু থেকে বাঁধা দিয়ে আসছিল একই গ্রামের মৃত মজিদ মন্ডলের ছেলে লাভলু মিয়া। শনিবার সকালে দেওয়ালটি ভাঙা অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি এ নিয়ে লাভলুর সাথে কথা বলতে গেলে উল্টো তাদের সাথে বাকবিতন্ডা শুরু করে দেয় তারা। দেয়াল ভাঙাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে লাভলু মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বৃষ্টির পানিতে দেওয়ালের নিচ থেকে মাটি সরে সেটা ভেঙে গেছে। তারা দেওয়ালটি ভাঙে নাই। তিনি আরো বলেন, তার জায়গা পেঁচিয়ে দেওয়াল নির্মাণ করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। বার বার ভেঙে দিতে বললেও তারা দেয়ালটি সরাইনি বলে তিনি জানান।

মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা জালাল উদ্দীন সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে লাভলু ও তার অনুসারীরা বিরোধীতা করে আসছে। রক্ষিত দক্ষিণ পাশে ৬০ ফিট দৈর্ঘ্যের একটি দেওয়ার করা হয়। লাভলু ও তার লোকজন পরিকল্পিত ভাবে দেওয়ালের নিচ থেকে মাটি সরিয়ে সেটা ভেঙে ফেলেছে। ভাঙার কারন জানতে গেলে উল্টো আমাদেরকে বকাবকি ও মারধরের হুমকি দেয় বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে মহাদান ইউনিয়নে চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান জুয়েল জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার স্থানীয়ভাবে শালিশ-বৈঠক সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি। দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে বিষয়টি এখনো জানিনা।

মহাদান বিট পুলিশের দায়িত্বে থাকা উপ-পুলিশ পরিদর্শক আবু জাফর রবিবার বিকালে বলেন, হাফিজিয়া মাদ্রাসার দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।