দেওয়ানগঞ্জে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে হাসি

দেওয়ানগঞ্জের আমন ধানের ফসলের মাঠ। ছবিটি ঝাউডাংগা এলাকা থেকে তোলা হয়েছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফসলের মাঠে শুরু হয়েছে ধান কাটাই ও মাড়াইয়ের উৎসব। ভালো ফলনের পাশাপাশি দাম ও ভালো পেয়ে খুশি হয়েছে কৃষকরা। আগামীতে তারা আরও বেশী আমন ধানের চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে. চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলন হওয়ায় আমন চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। কৃষকরা উন্নত হাইব্রিড ও উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বেশি ফলন পেয়েছে।

উপজেলার কলাকান্দা গ্রামের কৃষক আবুল কাসেম বলেন, আগে স্থানীয় জাতের বীজ চাষ করতাম। এ জাতের আমন ধানের ফলন কম হওয়ায় আমন চাষে আগ্রহ হারিয়েছিলাম। কৃষি বিভাগের পরামর্শে হাইব্রিড ধান বীজ ব্যবহার করে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলন পেয়েছি। আগামীতে আরও বেশি আবাদ করবো বলে নিয়ত করেছি।

আকন্দপাড়ার কৃষক লাভলু বলেন. উচ্চ ফলনশীল ধানের ফসল করে বাড়তি আয়ের সুযোগ পেয়েছি।

বাঁশতুলি এলাকার কৃষক আব্দুল মান্নান বলেন, আমি ৫ বিঘা জমিতে আমন ধান আবাদ করে ৭৫ মণ ধান পেয়েছি। বিঘা প্রতি ৩-৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জ হাটে ধান বিক্রি করতে দেখা গেছে মণ প্রতি ১ হাজার টাকা।

বোরো ধান কাটার পরই কৃষকরা আমন ধান রোপণ করেন। ৯০ দিনেই এ ধান কৃষকদের ঘরে আসে। ধান কাটার পর একই জমিতে কেউ আবার আগাম আলুর চাষের জমি তৈরি করে রেখেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ঝাউডাংগা, বাহাদুরাবাদ, সাপমারি, সানন্দবাড়ী, বাঘারচরসহ বেশ অনেক জায়গায়ই ধানকাটা ও মাড়াই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পরশ চন্দ্র দাস বলেন, কয়েক বছরের তুলনায় এবার বন্যা না হওয়া এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকদের ফসল উন্নয়নের লক্ষ্যে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে তৎপর আছেন।

সর্বশেষ
sarkar furniture Ad
Green House Ad