ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্ত্রীর উপার্জনে চলা সংসারে স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর ক্ষমতা বেশি : শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন ৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী আমরা এ পর্যন্ত সংবিধান মেনেই এসেছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নকলায় ভিজিএফ চাল বিতরণ শুরু জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপিত নকলায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে আগুন নেভানোর মহড়া অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে উন্নয়ন সংঘ সিডস প্রকল্পের উদ্যোগে জামালপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপিত প্রধানমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন ১০ মার্চ দেশে আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকতা সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলকে সংবর্ধনা

যমুনা সার কারখানার জমাট বাঁধা সার তোলা বন্ধ করেছে ডিলাররা

তারাকান্দি যমুনা সারকারখানায় আমদানিকৃত জমাট বাঁধা সার পড়ে আছে খোলা মাঠে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

তারাকান্দি যমুনা সারকারখানায় আমদানিকৃত জমাট বাঁধা সার পড়ে আছে খোলা মাঠে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা সার কারখানায় আমদানিকৃত নিম্নমানের ও জমাট বাঁধা নষ্ট সার তোলা বন্ধ করে দিয়েছে ডিলাররা। ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিসিআইসি’র ডিলাররা এ সার উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে ৪১ হাজার মেট্টিক টন আমদানিকৃত ইউরিয়া সার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ থাকলে চলতি মৌসুমে দাম বাড়ার আশংকায় রয়েছে স্থানীয় কৃষকরা।

মেসার্স আকলিমা ট্রেডাসের মালিক মো. আকবর আলী, ডিলার মোস্তাক মিয়াসহ আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, প্রতিমাসে বিসিআইসি’র তালিকাভূক্ত ডিলারদের যমুনার ইউরিয়ার সাথে আমদানিকৃত এক মে. টন সার গ্রহণ বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। এই এক মে. টন আমদানিকৃত সারের বস্তা দীর্ঘদিনের পুরনো, ছেঁড়া-ফাঁটা, জমাট বাঁধা, গলিত ও পঁচা থাকে। এসব সার কৃষক ক্রয় না করায় মোটা অঙ্কের লোকসান গুণতে হয় ডিলারদের। আমরা ১ মে.টন পঁচা সার না নেওয়ার দাবি জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ এটা সুরাহা না করায় ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আমদানিকৃত পঁচা সার বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে সার উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ করে দেন ডিলাররা।

কারখানার বিক্রয় বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি মাসের ডিলারদের মধ্যে সার বরাদ্ধ দেওয়া হয় ৮০ হাজার মে. টন। কারখানার কমাণ্ড এরিয়ায় প্রতি ডিলারদের বরাদ্দ ১২ মে. টন। এই ১২ মে. টনের মধ্যে যমুনা সার কারখানার উৎপাদিত ১১ মে. টন ও বাইরে থেকে আমদানিকৃত ১ মে. টন সার গ্রহণ বাধ্যতামূলক। কারখানায় বাইরে থেকে আমদানিকৃত ২১ হাজার মে. টন ও যমুনায় উৎপাদিত ৮৩ হাজার মে. টন সার মজুদ রয়েছে। আমদানিকৃত নিম্নমানের সার গ্রহণ একযোগে সকল ডিলার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার বিক্রয় শাথার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়ায়েছুর রহমান এ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, আমদানিকৃত সারের একটি স্তূপ পরির্বতন করে অন্য স্তূপ থেকে নিতে চায় আমাকে বলেছে। সেটিও পরিবর্তন করে দিয়েছি। এর পরেও আজ শনিবার সকাল (৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে আমদানিকৃত সার না নেওয়া শর্তে ডিলাররা সার উত্তোলন বন্ধ রেখেছে। এক বছর আগে আমদানি করা সার জমাট তো বাঁধবেই। এই আমদানিকৃত সার বিসিআইসি আমদানি করেছে তাই নিতে তো হবেই। আমাদের তো করার কিছুই নেই।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রীর উপার্জনে চলা সংসারে স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর ক্ষমতা বেশি : শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন

যমুনা সার কারখানার জমাট বাঁধা সার তোলা বন্ধ করেছে ডিলাররা

আপডেট সময় ০৭:৩১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
তারাকান্দি যমুনা সারকারখানায় আমদানিকৃত জমাট বাঁধা সার পড়ে আছে খোলা মাঠে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা সার কারখানায় আমদানিকৃত নিম্নমানের ও জমাট বাঁধা নষ্ট সার তোলা বন্ধ করে দিয়েছে ডিলাররা। ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিসিআইসি’র ডিলাররা এ সার উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে ৪১ হাজার মেট্টিক টন আমদানিকৃত ইউরিয়া সার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ থাকলে চলতি মৌসুমে দাম বাড়ার আশংকায় রয়েছে স্থানীয় কৃষকরা।

মেসার্স আকলিমা ট্রেডাসের মালিক মো. আকবর আলী, ডিলার মোস্তাক মিয়াসহ আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, প্রতিমাসে বিসিআইসি’র তালিকাভূক্ত ডিলারদের যমুনার ইউরিয়ার সাথে আমদানিকৃত এক মে. টন সার গ্রহণ বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। এই এক মে. টন আমদানিকৃত সারের বস্তা দীর্ঘদিনের পুরনো, ছেঁড়া-ফাঁটা, জমাট বাঁধা, গলিত ও পঁচা থাকে। এসব সার কৃষক ক্রয় না করায় মোটা অঙ্কের লোকসান গুণতে হয় ডিলারদের। আমরা ১ মে.টন পঁচা সার না নেওয়ার দাবি জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ এটা সুরাহা না করায় ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আমদানিকৃত পঁচা সার বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে সার উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ করে দেন ডিলাররা।

কারখানার বিক্রয় বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি মাসের ডিলারদের মধ্যে সার বরাদ্ধ দেওয়া হয় ৮০ হাজার মে. টন। কারখানার কমাণ্ড এরিয়ায় প্রতি ডিলারদের বরাদ্দ ১২ মে. টন। এই ১২ মে. টনের মধ্যে যমুনা সার কারখানার উৎপাদিত ১১ মে. টন ও বাইরে থেকে আমদানিকৃত ১ মে. টন সার গ্রহণ বাধ্যতামূলক। কারখানায় বাইরে থেকে আমদানিকৃত ২১ হাজার মে. টন ও যমুনায় উৎপাদিত ৮৩ হাজার মে. টন সার মজুদ রয়েছে। আমদানিকৃত নিম্নমানের সার গ্রহণ একযোগে সকল ডিলার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার বিক্রয় শাথার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়ায়েছুর রহমান এ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, আমদানিকৃত সারের একটি স্তূপ পরির্বতন করে অন্য স্তূপ থেকে নিতে চায় আমাকে বলেছে। সেটিও পরিবর্তন করে দিয়েছি। এর পরেও আজ শনিবার সকাল (৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে আমদানিকৃত সার না নেওয়া শর্তে ডিলাররা সার উত্তোলন বন্ধ রেখেছে। এক বছর আগে আমদানি করা সার জমাট তো বাঁধবেই। এই আমদানিকৃত সার বিসিআইসি আমদানি করেছে তাই নিতে তো হবেই। আমাদের তো করার কিছুই নেই।