বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো বলে জানিয়েছে বিএসএমএমইউ পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক। তিনি বলেন, দুপুর পৌনে একটার সময় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
তিনি ছয় তলার ৬২১ নম্বর কেবিনে ভর্তি রয়েছেন এবং ৬২২ নম্বর রুম রাখা হয়েছে উনার সহযোগিতায় যারা আছেন তাদের জন্য। আমরা দুইটা কেবিন ওনার জন্য বরাদ্দ রেখেছি।
১ এপ্রিল বিএসএমএমইউয়ের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
এ কে মাহবুবুল হক জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। তার চিকিৎসার জন্য পাঁচ সদস্যের একটা মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
মেডিকেল বোর্ডের প্রধান বিএসএমএমইউ’র মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক চিকিৎসক জিলন মিয়া সরকার। এ ছাড়া মেডিকেল বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, বিএসএমএমইউ’র রিউমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক চিকিৎসক সৈয়দ আতিকুল হক, কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার তানজিমা পারভিন, ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার বদরুন্নেসা আহমেদ, অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চৌধুরী ইকবাল মাহমুদ।
গত কয়েকদিন আগে তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। সেগুলোর প্রেক্ষাপটে এবং উনার মতামতঅনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, খালেদা চিকিৎসায় গঠিত বোর্ডের সদস্যরা ওনাকে দেখে এসেছেন এবং কথা বলেছেন। সেই সঙ্গে খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয় ওষুধ পত্র প্রেসক্রাইব করে দিয়েছে। তিনি আজকে থেকে ওইসব ওষুধ সেবন করবেন।
এ সময় তিনি আরো জানান, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডক্টর মামুন ওই মেডিকেল বোর্ডের সহযোগী হিসেবে রয়েছেন।
আমাদের এখানে যতদিন থাকবেন একজন স্পেশালিস্ট প্রতিদিন তাকে দেখে আসবেন। প্রতিদিনের আপডেট জানাবেন।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার হাতের এবং পায়ের জয়েন্টে ব্যথা ডায়াবেটিকস একটু বেড়েছে, খাওয়া পরে ১৪, একটু দুর্বল আছেন, ঘুম কম হচ্ছে। খালেদা জিয়া কারো সাপোর্ট নিয়ে হাঁটতে পারেন। হাঁটার জায়গাও আছে সেখানে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার শারীরিক যে অবস্থা, সে অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলেই যথেষ্ট।
নতুন মেডিকেল বোর্ডের প্রতি খালেদা জিয়ার আস্থা রয়েছে জানিয়ে হাসপাতালের এ পরিচালক বলেন, খালেদা জিয়া মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে খুব সুন্দর ভাবে কথা বলেছেন এবং তাদের দেয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ সেবন করবেন বলেও জানিয়েছেন।
তাকে জোর করে আনা হয়েছে কি না বা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুতে আনা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া রাজি না থাকলে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে আনা হতো না। সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 



















