৫ আগস্ট থেকে ফিটনেস বিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

বাংলার চিঠি ডটকম ডেস্ক॥
ফিটনেস বিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধে ৫ আগস্ট থেকে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ ঘোষণা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে ৪ আগস্ট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এ ঘোষণা দেন।

এ সময় অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল আলম ও পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এ সময় বিভিন্ন চেকপোস্টে গাড়ি চালকের লাইসেন্স, রুটপারমিট, নিবন্ধনসহ গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোমলমতি শিশুরা ইচ্ছা করলে ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করতে পারবে। ডিএমপি’র পাশাপাশি সারাদেশে এই ট্রাফিক সপ্তাহ চলবে বলে জানা যায়।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ট্রাফিক সপ্তাহে গার্লস গাইড ও বয়েজ স্কাউটের সহায়তা নেওয়া হয়। তারা (শিক্ষার্থীরা) ট্রাফিক সপ্তাহে সহায়তা করতে চাইলে তাদের স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, যে অভিপ্রায় নিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেছিল, সেই আন্দোলনকে সমর্থন করি আমরা। একইসঙ্গে ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের স্কুলে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা উদ্বিগ্ন, আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে ছাত্রদের স্কুল ড্রেস তৈরি ও বিক্রি বেড়েছে। শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলনে একটি কুচক্রী মহল মূলত ঘোলা জলে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। আমরা এটাও লক্ষ্য করছি, সোশ্যাল মিডিয়ায়- বিশেষ করে ফেসবুকে নানা ধরনের অপপ্রচার ও উসকানিমূলক কথা প্রচার করছে। কেউ কেউ বলছে, যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে মাঠে নামতে হবে। যারা উসকানি দিচ্ছে, তাদের আমরা ইতোমধ্যে শনাক্ত করেছি। শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, একটি মহল এরই মধ্যে পুলিশকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করার অপচেষ্টা করছে। ওই কুচক্রী মহল ২০১২-১৩ সালের সেই সব পুরনো ছবি সামনে এনে বলছে এটি এখনকার আন্দোলনের ছবি, যা আদৌ সত্য নয়। আর এই কাজটি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে করা হচ্ছে।

ডিএমপি’র এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈয্যের পরিচয় দিয়ে সব ধরনের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। ইতোমধ্যে কাফরুল থানায় হামলা করা হয়েছে। মিরপুর পুলিশ লাইনন্সে হামলা করা হয়েছে। আমাদের পুলিশ সার্জেন্টের মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপরও আমরা চরম পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি পুলিশ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। আমরা দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি।

মনে রাখতে হবে, পুলিশ রাতদিন কাজ করে বলেই আপনারা বাড়িতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেন। এটা ঠিক, আমাদের অনেক ব্যর্থতা রয়েছে। তবে পুলিশের আন্তরিকতা বা চেষ্টাকে ছোট করে দেখা সঠিক হবে না। তাপদাহ, শৈত্যপ্রবাহ, বৃষ্টি উপেক্ষা করে পুলিশ তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, মিরপুর পুলিশ লাইনে হামলা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা করতে পারে না। এই আন্দোলনে অনুপ্রেবেশকারীরা আন্দোলনকে ভিন্নখাতে নেওয়ার অপচেষ্টা শুরু করেছে।সূত্র : বাসস।

Views 54   ফেসবুকে শেয়ার করুন!
সর্বশেষ
sarkar furniture Ad
Green House Ad