আলোর মিছিলের মধ্যদিয়ে শুরু হলো শোকের মাসের কর্মসূচি

বাংলার চিঠি ডটকম ডেস্ক॥
শোকাবহ আগস্ট মাসের প্রথম দিন ছিল আজ। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করে।

শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্যরাত ১২টা এক মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্যদিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়। মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে গিয়ে শেষ হয়। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এ আলোর মিছিলের আয়োজন করে।

সকালে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। শোকের মাস আগস্টের প্রথম দিন আজ বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যাণ পরিষদ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এদিন বিকেল সাড়ে চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আমরা সূর্য মুখী’ শোকের মাসের প্রথম দিন বিকাল পাঁচটায় জাতীয় জাদুঘর সিনেপ্লেক্স মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন; গনমানুষের উন্নয়ন’ র্শীষক আলোচনা সভা ও আবৃত্তিনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শোকাবহ আগস্ট স্মরণে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে এক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

উপাচার্য জাতির পিতার জীবন কর্ম ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে উঠার জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড ছুঁড়ে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল জাতির পিতার কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।

পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।

পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন।

সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপদগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। সূত্র : বাসস।

Views 45   ফেসবুকে শেয়ার করুন!
সর্বশেষ
sarkar furniture Ad
Green House Ad