জামালপুরে নার্সিং ইনস্টিটিউটে বখাটেদের উৎপাতরোধে সিসি ক্যামেরা জরুরি

নার্স

জামালপুরে আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠান নার্সিং ইনস্টিটিউট। বিভিন্নভাবে খোঁজ নিয়ে দেখেছি এখানে শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং সার্বিক শিক্ষার মান সন্তোষজনক (একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জেনেছি)। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানে সার্ভিস স্টাফ বিশেষ করে দারোয়ান, নৈশ প্রহরী না থাকায় শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তারা ঝুঁকির মধ্যে আছে। মাঝেমধ্যেই বখাটেরা উৎপাত করে শিক্ষার্থীদের অস্থির করে তুলে। পাশের ভবনের ছাদে উঠে ওই দুর্বৃত্তরা অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে থাকে। চিরকুট লিখে ঢিল ছুড়ে। প্রতিষ্ঠানের ইনচার্জ রহিমা খাতুনসহ শিক্ষার্থীরা একটি সিসি ক্যামেরার দাবি করে আসলেও সরকারি কোনো বরাদ্দ নেই। তারা সমাজের বিত্তবানদের কাছে একটি সিসি ক্যামেরার জন্য আকুল আবেদন করেছে। এই ক্যামেরা থাকলে বখাটেদের শনাক্ত করা সহজ হবে। পাশাপাশি একটি নিরাপত্তা বেষ্টনি তৈরি হবে।

সরকারিভাবে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ১ হাজার ৭০০ টাকা, দ্বিতীয় বর্ষের জন্য ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রতিমাসে ১ হাজার ৯০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করে থাকে। প্রতি শিক্ষার্থী মাত্র ১ হাজার টাকা করে খাবার বাবদ মেসে জমা দেন। এই দুর্মূল্যের বাজারে তিনবেলা খাবারের জন্য মাসে ১ হাজার টাকায় কি ধরণের মানসম্মত খাবার হয় তা সহজেই অনুমেয়। তাদের দাবি যেহেতু এখানকার শিক্ষার্থীরা নিম্নবিত্ত ও দরিদ্র পরিবার থেকে এসেছে তাই সরকারি বরাদ্দটা বৃদ্ধি করা উচিৎ। এরাইতো আমাদের স্বাস্থ্য সেবাদানে ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালন করবেন।

এখানকার কারণিক পদে যারা দায়িত্ব পালন করছেন তাদের কাজের প্রতি আরও মনোযোগী ও গতিশীলতা আনতে হবে বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। এখানে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪২ জন। এদের জন্য আছে একজন ইনচার্জ, চারজন ইনস্টাক্টর ও তিনজন অন্যান্য স্টাফ।

কোনো বিত্তবান বন্ধু ইচ্ছে করলে এই প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। এরফলে ওদের মধ্যে বখাটেদের নিয়ে যে ভীতির সৃষ্টি হয়েছে তা অনেকাংশে হ্রাস পাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে দেখবেন বলে আমরা আশা করি। কোনোভাবে সিসি ক্যামেরাটা পেলে ওরাসহ আমরা জামালপুরবাসী খুবই উপকৃত এবং খুশি হবো। ধন্যবাদ সবাইকে।

জাহাঙ্গীর সেলিম
সম্পাদক