জামালপুরে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষে অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম
কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষে অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
২০২২ সালের মধ্যে দেশ থেকে জলাতঙ্ক নির্মূল করার লক্ষ্যে ব্যাপকহারে কুকুরের জলাতঙ্ক প্রতিষেধক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ২৩ এপ্রিল জামালপুরে অনুষ্ঠিত হয় অবহিতকরণ সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. লোকমান হোসেন। জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পবিত্র কুমার সাহা, জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. ওয়ারেছ আলী মিয়া, জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা চিকিৎসক নুরুল ইসলাম, জলাতঙ্ক রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সোহরাব আলী, ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক শহিদুর রহমান, মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মেহেদি ইকবাল, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক শফিকুর রহমান, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা চিকিৎসক এ কে এম শফিকুজ্জামান, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ।

বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।

আগামী ২৭ এপ্রিল থেকে জেলার সাতটি উপজেলায় একযোগে কুকুরের জলাতঙ্ক প্রতিষেধক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। জানা যায় জেলায় প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার কুকুরের শরীরে এই প্রতিষেধক টিকাদান করা হবে। কুকুর নিধন নয় জলাতঙ্ক নির্মূল এই আওয়াজ তোলে সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।

জানা যায়, জলাতঙ্ক একটি ভয়ঙ্কর মরণব্যাধি। এ রোগে মৃত্যুর হার শতভাগ। পৃথিবীতে প্রতি ১০ মিনিটে একজন লোক মারা যায় এই রোগে। ২০১০ সাল পর্যন্ত এই রোগে বাংলাদেশে প্রতিবছর ২ হাজার লোক মারা যেতো। এখন কমলেও ঝুঁকির মাত্রা কমেনি। তাই সরকার সকল জেলায় জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল কেন্দ্র চালু করেছে।