জামালপুরে বইমেলায় শিশুতোষ উপন্যাস ‘ধরা যাক ভূতের টুঁটি’র মোড়ক উন্মোচন

 জামালপুরে ডিজিটাল উদ্ভাবনী ও বইমেলায় ‘ধরা যাক ভূতের টুঁটি’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম
জামালপুরে ডিজিটাল উদ্ভাবনী ও বইমেলায় ‘ধরা যাক ভূতের টুঁটি’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
জামালপুরের বিশিষ্ট উপন্যাসিক ও লেখক ছানোয়ার হোসেনের পঞ্চম গ্রন্থ শিশুতোষ উপন্যাস ‘ধরা যাক ভূতের টুঁটি’ এর আনুষ্ঠানিকভাবে মোড়ক উন্মোচন করা হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি জামালপুর ডিজিটাল উদ্ভাবনী ও বইমেলায়। মোড়ক উন্মোচন করেন বিশিষ্ট কবি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি আহমদ আজিজ, আলী জহির, শাহজাহান সাজু, বাংলারচিঠি ডটকম এর সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট সংস্কৃতিকর্মী ও কবি সাযযাদ আনসারী।

কবি মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, শিশুতোষ লেখা একটি কষ্টসাধ্য ব্যপার হলেও আমাদের প্রিয় লেখক ভৌতিক গল্পের মাধ্যমে চলমান অনেক বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। লেখকের এই শ্রমসাধ্য বইটি সকলকে কেনার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বই আমাদের জীবনের সাথী, অন্ধকারের আলো। শিশুদের জন্য লেখকের এই বইটি সকল পাঠকের কাছে সমানভাবে সমাদৃত এবং পাঠকপ্রিয়তা পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 জামালপুরে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় নতুন উদ্ভাবনমূলক বিষয়গুলো পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম
জামালপুরে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় নতুন উদ্ভাবনমূলক বিষয়গুলো পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

উল্লেখ, এবারের একুশের বইমেলায় ঢাকার অমরাবতী প্রকাশনা থেকে ‘ধরা যাক ভূতের টুঁটি’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে। লেখকের অন্যান্য উপন্যাস- জীবন শিকল, যমুনার দুই মেয়ে ও হাঙ্গর, রক্তরাখি। নাটক- আবার তুমি। গ্রন্থগুলো পাঠকের প্রশংসা কুঁড়িয়েছে বলে জানান লেখক নিজে।

দ্বিতীয় দিনে মেলা মঞ্চে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় ‘জনসেবায় ডিজিটাল উদ্ভাবনী সংষ্কৃতি উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে একমাত্র পথ’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা। এতে সভাপতিত্ব করে অতিরিক্ত জেলা নির্বাহী হাকিম মোহাম্মদ কবির উদ্দীন।

দুপুর তিনটায় ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর গল্প’ এবং কুইজ প্রতিযোগিতায় মূল আলোচক হিসেবে অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জহিরুল হক মুন্সি বীর প্রতিক (বার)। এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাসেল সাবরিন।