ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা মাদারগঞ্জে যমুনার বালুর চরে ফিরেছে সবুজ প্রাণ মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন

সরিষাবাড়ীতে খড়ের স্তূপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

হামলায় গুরুতর আহত আব্দুল ছাত্তার বাবলু। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

হামলায় গুরুতর আহত আব্দুল ছাত্তার বাবলু। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় খড়ের স্তূপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। ১৪ জুন বিকেলে উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বড়বাড়ীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত আব্দুল ছাত্তার বাবলুকে সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বড়বাড়ীয়া গ্রামে আব্দুস সালাম মন্ডলের পাঁচজন ছেলে। তারা একই বসতভিটায় বসবাস করে আসছেন। ১৪ জুন বিকালে গরুর খাওয়া ধানের খড়ের স্তূপ (উচুঁঢিবি) দিচ্ছিলেন বড় ভাই আব্দুল কাদের। এতে বাধা দেন ছোট ভাই আব্দুল লতিফ ও তার স্ত্রী ছালেহা বেগম। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পরিবারের পক্ষের সদস্যদের মধ্যে লাঠিসোঁটা, রামদা নিয়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষ চলাকালে আব্দুল কাদেরের ছেলে শামীম মিয়া রামদা দিয়ে তার চাচা আব্দুল ছাত্তার বাবলুর পেটে কোপ দেন। এতে আব্দুল ছাত্তার বাবলুর পেটের নাড়িভুরি বের হয়ে যায়। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

অন্যান্য আহতরা হলেন আব্দুল লতিফ (৪০), ছালেহা বেগম (৩৫), সাগর মিয়া (১৮), সালমা বেগম (৪৫), আব্দুল কাদের (৬০), জুয়েল মিয়া (২৮), ফরিদা বেগম (২২), ঝরনা বেগম (৫০), মোজাম্মেল হক (৫৫) ও মাহফুজুর রহমানকে সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজেদুর রহমান বলেন, সংর্ঘষের ঘটনাটি কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

সরিষাবাড়ীতে খড়ের স্তূপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

আপডেট সময় ১২:৩৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০১৯
হামলায় গুরুতর আহত আব্দুল ছাত্তার বাবলু। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় খড়ের স্তূপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। ১৪ জুন বিকেলে উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বড়বাড়ীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত আব্দুল ছাত্তার বাবলুকে সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বড়বাড়ীয়া গ্রামে আব্দুস সালাম মন্ডলের পাঁচজন ছেলে। তারা একই বসতভিটায় বসবাস করে আসছেন। ১৪ জুন বিকালে গরুর খাওয়া ধানের খড়ের স্তূপ (উচুঁঢিবি) দিচ্ছিলেন বড় ভাই আব্দুল কাদের। এতে বাধা দেন ছোট ভাই আব্দুল লতিফ ও তার স্ত্রী ছালেহা বেগম। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পরিবারের পক্ষের সদস্যদের মধ্যে লাঠিসোঁটা, রামদা নিয়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষ চলাকালে আব্দুল কাদেরের ছেলে শামীম মিয়া রামদা দিয়ে তার চাচা আব্দুল ছাত্তার বাবলুর পেটে কোপ দেন। এতে আব্দুল ছাত্তার বাবলুর পেটের নাড়িভুরি বের হয়ে যায়। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

অন্যান্য আহতরা হলেন আব্দুল লতিফ (৪০), ছালেহা বেগম (৩৫), সাগর মিয়া (১৮), সালমা বেগম (৪৫), আব্দুল কাদের (৬০), জুয়েল মিয়া (২৮), ফরিদা বেগম (২২), ঝরনা বেগম (৫০), মোজাম্মেল হক (৫৫) ও মাহফুজুর রহমানকে সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজেদুর রহমান বলেন, সংর্ঘষের ঘটনাটি কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।