শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেই

আইয়ুব বাচ্চু

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু ১৮ অক্টোবর সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।

শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ১৯ অক্টোবর সকাল ১০টায় তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। এরপর জুম্মার সামাজ শেষে জাতীয় ঈদগাহে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দিন ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে শিল্পীর দাফন সম্পন্ন হবে।খবর বাসসের।

১৮ অক্টোবর সকাল নয়টা ৫৫মিনিটে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসক আইয়ুব বাচ্চুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান বলে চিকিৎসক জানান ।

আইয়ুব বাচ্চু ১৯৬২ সালের ১৬ আগষ্ট চট্টগ্রাম শহরের ফিরিঙ্গি বাজারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম সরকারী মুসলিম হাই স্কুল এবং চট্টগ্রাম কলেজে অধ্যয়ন করেন। তিনি একাধারে গায়ক, লিডগিটারিষ্ট, গীতিকার, সুরকার, প্লেব্যাক শিল্পী ছিলেন। তিনি ব্যান্ডদল এলআরবি’র প্রতিষ্ঠাতা এবং এ দলের লিডগিটারিষ্ট ও ভোকাল।

দেশ স্বাধীনের পর তিনি সোলস ব্যান্ডদলের লিড গিটারিষ্ট ছিলেন। সংগীত জগতে তার যাত্রা শুরু ১৯৭৮ সালে গানের দল ‘ফিলিংস’এর মাধ্যমে। তার ডাক নাম রবিন। মূলত: রক ঘরানার শিল্পী হলেও তিনি আধুসিক গান, ক্লাসিক্যাল এবং লোক সংগীতেও পারদর্শি ছিলেন। তার কন্ঠে প্রথম গান হচ্ছে ‘হারানো বিকেলের গল্প’। ১৯৮০ থেকে গান করেন সোলস’এ। ১৯৯১ সালে গঠন করেন ব্যান্ডদল ‘এলআরবি’। তার প্রথম একক এ্যালবাম ‘রক্ত গোলাপ’ ১৯৮৬ সালে প্রকাশ পায়। তার ১২টি ব্যান্ড এ্যালবাম ও ১৬টি একক এ্যালবাম রয়েছে।

আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় কয়েকটি গান হচ্ছে, চলো বদলে যাই, রুপালী গিটার, হাসতে দেখে গাইতে দেখে, ঘুম ভাঙ্গা শহরে, দরোজার ওপাশে, ফেরারী, মেয়ে তুমি দু:খ বুঝনা কেন, কষ্ট পেতে ভালবাসি, কেউ সুখী নয়, বেলা শেষে ফিরে এসে, এক আকাশের তারা, অবাক হৃদয়, আমিও মানুষ, কষ্ট কাকে বলে, অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে।
সূত্র : বাসস

sarkar furniture Ad
Green House Ad