দেওয়ানগঞ্জে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

কোরবানির পশুর হাট। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

মদন মোহন ঘোষ, দেওয়ানগঞ্জ ॥
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার কাউনিয়ারচর, সানন্দবাড়ী, ঝালোরচর, তারাটিয়া, কাঠারবিল, দেওয়ানগঞ্জ পৌরহাটসহ কোরবানির পশুর হাট শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে। ভাল দামে নিজের কষ্টে পালিত গরু বিক্রি করতে হাটে ভিড় করছেন বিক্রেতারা, তেমনি পছন্দের গরু কিনতে আগ্রহের কমতি নেই ক্রেতাদের।

কোরবানি পশুর হাটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। এবারের কোরবানি ঈদে গতবারের চেয়ে দাম বেশি। কারণ হিসেবে বিক্রেতারা গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়াকেই দায়ী করছেন। বন্যা পরবর্তীতে এক কেজি খড় ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জের সবচেয়ে বড় গরুর হাট সানন্দবাড়ী ও দেওয়ানগঞ্জ পৌর গোহাট ১৯ আগস্ট সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, হাটে দেশি গরুই বেশি। ক্রেতারাও দেশি গরু কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। খামারের পালিত গরুর চেয়ে নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের কৃষকের পালিত গরু বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

কোরবানির পশুর হাট। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

মদনেরচরের ময়দান আলী বলেন, গত দুই বছর গরু ব্যবসায় লোকসান হওয়ায় এ বছর গরু পালন করা হয়েছে কম। এ কারণে গরুর দাম বেশি।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক অধিনায়ক রফিকুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক নাজির আহমেদ ও চেয়ারম্যান সেলিম খান জানান, গত বছর কোরবানির যে পশুর দাম ছিল ৪০-৫০ হাজার টাকা, এ বছর সে পশুর দাম ৭০-৯০ হাজার টাকা।

বালুগ্রামের ইস্রাফিল ১৬০ কেজি ওজনের একটি দেশি গরু কিনেছেন ৯০ হাজার টাকায়। তিনি জানান, এই একই ওজনের গরু গত বছরে কিনেছিলেন ৭০ হাজার টাকায়। এবার ছাগলের দামও বেশি।

sarkar furniture Ad
Green House Ad