জাতির পিতার স্বপ্নপূরণই আমাদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলার চিঠি ডটকম ডেস্ক॥
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার স্বপ্নপূরণই আমাদের লক্ষ্য। বাংলাদেশের মানুষ যা কিছু অর্জন করেছে, ত্যাগের মাধ্যমেই এসেছে সেই অর্জন। আমি জনগণের সেবক। জনগণ কী পেল, সেটাই আমার চাওয়া। সংবর্ধনার প্রয়োজন নেই। এ সংবর্ধনা দেশের জনগণকে উৎসর্গ করেন প্রধানমন্ত্রী।

২১ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেওয়া সংবর্ধনার ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উড়ানো, গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, কলকাতা থেকে ডি-লিট উপাধি পাওয়াসহ নানা সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনার আয়োজন করে আওয়ামী লীগ।

বিকেল চারটা ৪২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্য শুরু করেন। এর আগে বেলা সাড়ে তিনটায় তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছান। শেখ হাসিনা মঞ্চে উঠতেই স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় পুরো উদ্যান। আধা ঘণ্টার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার বক্তব্যের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন। পরে মানপত্রটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন তিনি।

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যা কিছু অর্জন করেছে, মহান ত্যাগেই অর্জন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচারের মাধ্যমে জাতি কলুষমুক্ত হয়েছে। যারা যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, তারা এতে খুশি হননি।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকিয়ে অগণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার চক্রান্ত করেছিল বিএনপি। কিন্তু জনগণ তা প্রতিহত করে গণতান্ত্রিকধারা অব্যাহত রেখেছে।

বিশ্বমন্দার প্রভাব আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের উপর পড়তে দেয়নি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূমিহীন মানুষকে ঘর দিয়ে উন্নত জীবন দেয়াই ছিল আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে সুর্বণজয়ন্তী পালন করতে চাই।

মহাকাশ জয় করে ৫৭ তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫৩ তম দেশ হিসেবে পরমাণুক্লাবেও আমরা নাম লিখিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এর ভয়াবহতা থেকে দেশকে বাঁচাবোই।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, দেশকে আরো এগিয়ে নেয়াই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। তিনি বলেন, নৌকায় ভোট দিয়েছিল বলেই দেশের মানুষ উন্নয়ন দেখেছে। উন্নয়নশীল হওয়ার পথে হাটঁছে দেশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কারো মুখাপেক্ষী থাকবে না বাংলাদেশ।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত এ সমাবেশ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর ও আশপাশের এলাকা থেকে পরিবহনযোগে ও হেঁটে অসংখ্য নেতা-কর্মী, বিশিষ্ট ব্যক্তি, পেশাজীবী ও সাধারণ জনগণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। এই সমাবেশে উপলক্ষে ব্যাপক শোভাযাত্রা করেছে আওয়ামী লীগ। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই গণসংবর্ধনা হবে ঐতিহাসিক।
সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ ডটকম

sarkar furniture Ad
Green House Ad

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *